কলকাতা, অঙ্কন দাস: রাজ্যে নতুন সরকার এসেছে ১০০ দিন। এই সরকারের খতিয়ান নিয়ে আজ সল্টলেকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেন বিজেপির প্রধান মুখপাত্র অ্যাডভোকেট দেবজিৎ সরকার। সেই সম্মেলনে তিনি তুলে ধরেন বেশ কয়েকটি অগ্রগতিকে। তিনি বোঝান এই নতুন সরকার কী ভাবে জনগণের মঙ্গল করে চলেছে। তার বক্তব্যের অভিমুখ ছিল মূলত মানুষের উন্নয়ন এবং ভরসা লাভের লক্ষ্যে। তাঁর বক্তব্যের মাঝেই তিনি পূর্বতন সরকারকেও জোরালো সমালোচনা করতে ছাড়েননি। এদিন দেবজিৎ সরকার অনেকগুলি প্রসঙ্গ নিয়ে বক্তব্য রাখেন ।
নতুন সরকারের ১০০ দিন পূর্ণ হওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন ‘ নমস্কার সবাইকে। আপনারা জানেন যে এটা একটা পূর্ণ সরকার। প্রথমে ছিল আঞ্চলিক সরকার।বাম সরকার, তৃণমূল সরকার। যা হবে, সব ঠিক করে দেবে হয় আলিমুদ্দিন নয় আদি গঙ্গার ধারের টালির বাড়ি। কিন্তু, এই প্রথমবার আমরা নির্ণায়ক এবং প্রশাসক আলাদা করেছি।’
সুরক্ষা প্রসঙ্গে বিজেপির প্রধান মুখপাত্র বলেন, 'সীমান্ত সুরক্ষার ক্ষেত্রে বিএসএফ'কে ১০০ একরের বেশি জমি হস্তান্তর করেছি। নারী সুরক্ষার জন্য দূর্গা সুরক্ষা স্কোয়াড, পিঙ্ক পেট্রোল মোতায়েন হয়েছে। মাননীয় বলেছিলেন মেয়েদের রাত আটটার পর বেরোনোর দরকার কী? কিন্তু, তারা এখন ২৪ ঘণ্টাই যেখানে খুশি যেতে পারবে। অপরাধ হচ্ছেনা এমনটা নয়। কিন্তু, রকার এর বিরুদ্ধে যে প্রতিরোধ নিয়েছে, তাতে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কে স্বাগত জানাই।'
তিনি জানান, অন্নপূর্ণা ভান্ডারে প্রতিমাসে মহিলাদের ৩০০০ টাকা দেওয়া শুরু হয়েছে। বনসৃজন প্রকল্পে দু'কোটি গাছ লাগানো হয়েছে। এমনটাই জানান দেবজিৎ সরকার। তিনি বলেন যারা এই প্রকল্পের গাছ সংগ্রহ করেছেন তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে এই গাছ গুলো তারা রক্ষা করবেন। এখন বর্ষাকাল, এই গাছগুলি ঠিক ভাবে বেড়ে উঠবে। এরপর তিনি জানান; পুরুলিয়া, বালুরঘাট এবং মালদায় এয়ারপোর্ট হবে।
স্বাস্থ্য নিয়ে দেবজিৎ বলেছেন,আয়ুষ্মান প্রকল্পের মাধ্যমে সরকার মানুষের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় উন্নতি করতে চায়। প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যবীমা যোজনায় মানুষ স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে আর্থিক সুবিধা পাবেন। তিনি সব শেষে এই বার্তাই দিয়েছেন যে, নবনির্বাচিত এই সরকার মানুষের পাশে থাকবে।