উত্তরপ্রদেশে, নিউজ ডেস্ক : কথায় আছে,'পিরিতি কাঁঠালের আঠা সে আঠা লাগলে পরে ছাড়ে না'.... এই প্রেমের সামনে কোনও প্রতিবন্ধকতাই যেন বাধা হয়ে দাঁড়ায় না। তা সে বয়সের ব্যবধান হোক আর সামাজিক বাধা। এই কথারই যেন জলজ্যান্ত উদাহরণ মিলল উত্তরপ্রদেশে। একজনের বয়স ৭৫, অন্যজনের ৩০। মাঝখানে ৪৫ বছরের ব্যবধান। জীবনের অভিজ্ঞতা, প্রজন্মের ফারাক, সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি সবকিছুতেই তাঁদের মধ্যে বিস্তর পার্থক্য। তবু সেই ব্যবধান পেরিয়েই একসঙ্গে জীবন কাটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের ঔরাইয়া জেলার রামসুগর ও রানি রাজপুত। তাঁদের বাগদানের খবর প্রকাশ্যে আসতেই সমাজমাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা।
উত্তরপ্রদেশের ঔরাইয়া জেলার সহার ব্লকের আরিয়ারি গ্রামের বাসিন্দা রামসুগর। অপরদিকে রানি রাজপুত ঔরাইয়া শহরের বাসিন্দা। সোশ্যাল মিডিয়ায় তার বিরাট ফ্যান ফলোয়ার। রামসুগরের মেয়ে রাধাও ইউটিউবে কনটেন্ট তৈরি করেন। ভিডিও শুটিংয়ের সূত্রে রানি তাঁদের বাড়িতে যাতায়াত করতেন। রামসুগরের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রায় দু’বছর ধরে পরিচিতির সুবাদে তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। পরে দু’জনেই একসঙ্গে জীবন কাটানোর সিদ্ধান্ত নেন।
জানা গিয়েছে , সপ্তাহ খানেক আগে একটি বিউটি পার্লারে তাঁদের আংটিবদল অনুষ্ঠান হয়। সেই অনুষ্ঠানের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোরগোল পড়ে যায়। রানি জানিয়েছেন, বয়সের এতটা ব্যবধান নিয়ে তাঁর আপত্তি নেই এবং তিনি এই সিদ্ধান্তে খুশি।
এই বাগদান ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। কেউ দু’জনের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তকে সমর্থন করছেন, আবার কেউ সম্পর্কটির উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। তবে ৪৫ বছরের বয়সের ব্যবধানের কারণে এই বাগদান ইতিমধ্যেই সংবাদমাধ্যম ও নেটদুনিয়ায় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
জীবনের শেষ অধ্যায়ে এসে নতুন করে সংসার গড়ার স্বপ্ন দেখছেন ৭৫ বছরের রামসুগর। আর ৩০ বছরের রানি বেছে নিয়েছেন তাঁর সঙ্গে পথ চলার সিদ্ধান্ত। তারা একে অপরকে ভরসা করে আগামী দিনের পথ চলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আর এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করে দেয় ভালোবাসার কাছে তুচ্ছ হয়ে ওঠে সবকিছু।




