কলকাতা, নিউজ ডেস্ক: বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে বিপাকে পড়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও ডেরেক ও'ব্রায়েন। ইতিমধ্যেই তাদেরকে হাজিরা দেওয়ার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ১৭ মিনিট নাগাদ শেক্সপিয়র সরণী থানায় হাজিরা দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিতর্ক এবার কোন দিকে মোড় নেয় সেদিকেই তাকিয়ে রাজ্যবাসী।
যে-কোনও জনবহুল এলাকায় বিশাল আকৃতির আউটডোর বিজ্ঞাপন কাঠামোকে বলা হয় বিলবোর্ড। বহু ক্ষেত্রেই বড় বড় কোম্পানি ও রাজনৈতিক নেতাদের বিজ্ঞাপন দেখা যায় এই বিলবোর্ডে। বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত এই গুরুত্বপূর্ণ বস্তু যদি শ্রীঘরের দোড়গোড়ায় দাঁড় করায় তাহলে তো শোরগোল পড়বেই সর্বত্র।
রাজ্যের পালাবদলের পর রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে বিতর্ক ও সংঘাত প্রায় লেগেই রয়েছে। একটি রাজনৈতিক নোটিশকে কেন্দ্র করে রাজ্যে রাজনৈতিক মহল ফের উত্তপ্ত হল। কয়েকদিন আগে ঘটে যাওয়া ঘটনার রেশ যে এতদূর গড়াবে, তা কেউ টের পাননি। মঙ্গলবার সকাল থেকে সেই ঘটনাকে ঘিরে ফের সরগরম হয়ে উঠল কলকাতা।
সূত্রে খবর, এই ঘটনার সূত্রপাত ক্যামাক স্ট্রিট। কিছুদিন আগে অভিষেক বন্দোপাধ্যায় এর অফিসে একটি বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। ঘটনার তদন্তে নেমে ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এবার সেই মামলার তদন্তের স্বার্থে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কে নোটিশ পাঠানো হয় শেক্সপিয়র সরণি থানা থেকে। পুলিশের নোটিশ অনুযায়ী, মঙ্গলবার দুপুর ১২ঃ১৭ মিনিট নাগাদ থানায় হাজির হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বাইরে তখন তাঁর সমর্থনে স্লোগান দিতে দেখা যায় তৃণমূল কর্মীদের। পরিস্থিতিক্রমে ব্যাপক উত্তেজনার আকার নেয়।
পুলিশের সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার অভিষেকের কালীঘাট রোডের বাড়িতে পুলিশ নোটিশ দিয়ে আসে। তাঁর সঙ্গে কিছু তৃণমূল সমর্থক থানার সামনে হাজির হন। তবে, থানার ভিতরে তাঁর সঙ্গে কোনও বেসরকারি বাউন্সারকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে জানা গিয়েছে।
এই মামলাতে অভিষেক ছাড়াও তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েন, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় সহ আরও কয়েকজনকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়কেও জিজ্ঞাসাবাদ এর জন্য তলব করা হয়েছে। আগামীকাল তাঁকে থানায় হাজির হতে বলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে, ক্যামাকস্ট্রিট কাণ্ডের তদন্তে এবার কি নতুন তথ্য সামনে আসে, সবার নজর সেদিকেই।




