রাজ্যে পালা বদলের পর মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ উদযাপনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার কলকাতায় রাজ্য সরকারের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নন্দন চত্বরে উত্তম কুমারের জন্ম শতবর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি বৈঠক আয়োজন করা হয়। এবার সেই বৈঠক কে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক।
উত্তম কুমারের জন্ম শতবর্ষ উদযাপন কমিটির প্রস্তুতি বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের প্রধান শুভেন্দু অধিকারী, ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্র জগতের বহু তারকা মিঠুন চক্রবর্তী, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, রুদ্রনীল ঘোষ, অরিন্দম শীল, শান্তিলাল মুখোপাধ্যায়, কাঞ্চন মল্লিক, সৃজিত মুখোপাধ্যায়, শঙ্কর চক্রবর্তী-সহ অনেকেই।
এরই মধ্যে নন্দনে অপমানিত হলেন প্রখ্যাত অভিনেতা ও নাট্য ব্যক্তিত্ব চন্দন সেন। নন্দনে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে ভেতরে প্রবেশ করার সময় বাধা দেওয়া হয় তাকে। অবশেষে কার্ড দেখানোর পর তাকে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন,'এরা আমায় চেনে না, জানে না, তাই ঢুকতে বাধা দিয়েছে।' এমনকি তার কাছে কার্ড দেখতে চাওয়া হয় বলেও অভিযোগ তার। তিনি আরও বলেন, ‘ওনাদের পক্ষে সম্ভব না সবাই কে চিনে রাখা। সবটাই গায়ের জোর দেখানো হচ্ছে।’
যদিও বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “উত্তম কুমার প্রকৃত অর্থে নায়কের নায়ক। তাই ওঁনাকে মহানায়ক বলা হয়। আর আমার মন্ত্রীত্বের সময় তাঁর শতবর্ষ পালন করার সুযোগ আমি পেয়েছি, এটা ঈশ্বরের আশীর্বাদ ছাড়া সম্ভব নয়।”
তবে উত্তম কুমারের জন্ম শতবর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি বৈঠকে একজন বর্ষীয়ান অভিনেতাকে প্রবেশে বাধা দেওয়ার ঘটনায় উঠছে নানান প্রশ্ন। এবার শিল্পীদের মর্যাদা আদৌ কতখানি সাংস্কৃতিক মহলে সেটি চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে।