মধ্যপ্রদেশ, নিউজ ডেস্ক: সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়ালে বিলাসপুরে। সোশ্যাল মিডিয়ায় হিন্দুদের পবিত্র প্রাণী গরুকে নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য তথা ধর্মীয় উস্কানি করায় এই উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। জানা গিয়েছে সোহেল খান নামে এক ব্যক্তি ওই সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের অধিকারী। ঘটনাটিতে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে যায়। মুসলিমদের দল এই ঘটনায় হামলা চালায়। বেঁধে যায় সংঘর্ষ। আহত হন ৫০ জন। ঘটনাটি ঘটে সদরবাজার লাগোয়া 'করোনা চক' নামে জায়গাতে। সূত্রের রিপোর্ট, ওই এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় সোহেল খান ও তাঁর সাথে থাকা কয়েকজন; চারজন হিন্দু যুবককে আটকে দেন। শুরু হয় তীব্র তর্ক-বিতর্ক। একজন হিন্দু যুবক অক্ষত সিং ও তাঁর এক সঙ্গীকে মারধর করা হয়। ঘটনাটি পুরনো শত্রুতার জের বলে জানা গেছে।
হিন্দু সংগঠনগুলোর সদস্যরা জড়ো হয়ে হামলা এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানান। উভয় পক্ষই অভিযোগ দায়ের করতে সিটি কোতোয়ালি থানায় পৌঁছায়। ঘটনা সামাল দিতে,স্থানীয় বিধায়ক সুশান্ত শুক্লাও থানায় উপস্থিত হন। এরপর পুলিশ দুপক্ষকেই বোঝানোর সময় হঠাৎ করেই দুইপক্ষ সংঘর্ষ শুরু করে। ব্যাপক পাথর ছোঁড়াছুরি হয়। জ্বলন্ত বাজিও ছোঁড়া হয়। এই হিংসা থানা সংলগ্ন এলাকাতেও ছড়িয়ে পড়ে। বেশ কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভাঙা হয় এদোকানপাট ও বাড়িঘর। উত্তেজিত জনতা হট্টগোল শুরু করে; স্লোগান দেয়, এছাড়াও পাথর ছোড়ার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়।
পরিস্থিতি সামাল দিতে কালেক্টর সঞ্জয় আগরওয়াল এবং এসএসপি রজনেশ সিং হেলমেট পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছন। সিএএফ থেকে অতিরিক্ত বাহিনী তলব করা হয়। দাঙ্গাকারীদের শনাক্ত করছে পুলিশ। খতিয়ে দেখা হচ্ছে সিসিটিভি এবং ড্রোন ফুটেজ। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৭ এবং ১৯১ ধারায় দুই পক্ষের অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের হয়েছে।সিটি কোতোয়ালির অন্তর্গত ওই এলাকায় জারি ১৪৪ ধারা। কালেক্টর এবং এসএসপি স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে ফ্ল্যাগ মার্চ করেছেন।