নেপাল, নিউজ ডেস্ক:!আচমকাই ভয়াবহ বিপর্যয়! সাড়ে তিনশোরও বেশি মানুষ নিখোঁজ, মৃত অন্তত ১৬ জন। হড়পা বানে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা। আজ নেপালের ভোতে কাশি নদীতে আচমকা হড়পা বান নেমেছিল সকাল ৯টা নাগাদ। প্রবল জলস্রোতে সব কিছু ভাসিয়ে নিয়ে যায়। বাড়ি-গাড়ি থেকে নতুন তৈরি হওয়া ব্রিজ সব কিছুই প্রবল জলের তোড়ে ভেসে যায়।
এই বন্যায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় নেপালের একাধিক 'হাইড্রো পাওয়ার প্রজেক্ট।' অন্ধকারে ডুবতে বসেছে নেপাল। ধারণা করা হচ্ছে,ভূমিকম্পের কারণে হড়পা বান নেমেছে। তুষারধসের কারনে আটকে যায় নেপালি নদী ভোতে কোশি'র প্রবাহ। ধসে পাথর আটকে নদীতে তৈরি হয় কৃত্রিম হ্রদ। সেটিই বিপর্যয় ডেকে আনে!
আজ, (বুধবার) সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে নেপালে ৪.৪ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। মাটি কেঁপে ওঠে।ই নদীতে তৈরি কৃত্রিম হ্রদ ফেটে যায়। নামতে থাকে জলরাশি।পাথর-মাটি-জল-ধ্বংসস্তূপ নিয়ে ভয়াল রূপ নেয় হড়পা বান।ছোট্ট ভূমিকম্পই মারাত্মক হয়ে ওঠে। আজ সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে তিব্বতে ৪.৪ মাত্রার ভূমিকম্প হতেই কৃত্রিম হ্রদ ফেটে ভয়াল জলস্রোত নিশ্চিহ্ন করে দেয় ভোতে কোশী নদীর দু’পাড়।
এই বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে, ভূমিকম্পকেই দায়ী করেছেন নেপালের বিদেশমন্ত্রী। তিনি জানান, 'ভূমিকম্পের কারণেই ধস নেমেছে। একারনেই ভোতে কোশী নদীতে হড়পা বান আসে।' স্থানীয় প্রশাসনও এব্যাপারে সায় দিয়েছে। তারা জানায় 'রসুয়া জেলায় স্যাব্রুবেশি, টিমুরে-তে হড়পা বান এসেছিল। বিভিন্ন ফুটেজেও দেখা গিয়েছে যে হঠাৎ করেই জল, মাটি ফুলে-ফেঁপে আসছে। সাধারণ মানুষ আতঙ্কে, প্রাণভয়ে দৌড়চ্ছেন।' এই মুহুর্তে নেপালের পাশে আছে বলে সমর্থন এবং সাহায্য পাঠিয়েছে ভারত।