বিয়ের ৭ বছরের মধ্যে যদি কোন মহিলা শারীরিকভাবে হেনস্তার কারণে প্রাণ হারান, তাহলে ধরে নেওয়া যেতে পারে যে তিনি পণের দাবিতে অত্যাচারিত। এক্ষেত্রে তার স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো প্রমাণের প্রয়োজন নেই। এমনটাই রায় এলাহাবাদ আদালতের। যা নিয়ে ইতিমধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
ঘটনাটি ২০১০ সালের। পণের দাবিতে অত্যাচারিত হয়ে প্রায় ১৬ বছর আগে মৃত্যু হয় অভিযুক্তের স্ত্রীর। নিম্ন আদালত এই খুনের অভিযোগে স্বামী হোরাকে যাবজ্জীবনের শাস্তি দেয়। সম্প্রতি এলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনও বেঞ্চে সন্দীপ সিং হোরা নামে ওই অভিযুক্ত ব্যক্তির শাস্তি মুকুব করার আবেদন জানান। অভিযুক্তের দাবি তার বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো প্রমাণ মেলেনি। তাই তিনি নির্দোষ।
এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি আব্দুল মঈন ও প্রমোদ কুমার শ্রীবাস্তব অভিযুক্তর শাস্তি মঞ্জুর করতে রাজি হয়নি। তবে শাস্তির মেয়াদ কমিয়ে ১০ বছরের জেল করা হয়েছে।
ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী ফোনের দাবিতে অত্যাচারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে। তবে সেটা বিরলতম অপরাধের ক্ষেত্রে। যেহেতু স্বামী বিরুদ্ধে স্ত্রীকে হেনস্থার উপযুক্ত প্রমাণ নেই, তাই অভিযুক্তের শাস্তি কমিয়ে ১০ বছর করা হয়েছে। এমনকি এই পর্যন্ত তিনি যতদিন জেল হেফাজতে ছিলেন সেটাও ১০ বছরের মধ্যে ধরে নিতে বলা হয়েছে এলাহাবাদ হাইকোর্টের পক্ষ থেকে।




