মুম্বই: মুম্বইয়ের বিমান পরিষেবায় বড়সড় পরিবর্তনের পথে এয়ার ইন্ডিয়া গ্রুপ ও ইন্ডিগো। ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল ১-এর পুনর্নির্মাণের জন্য বেশ কিছু উড়ান ধাপে ধাপে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে নবি মুম্বই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। এর ফলে যাত্রীদের জন্য বাড়তে পারে বিমানযাত্রার বিকল্প।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বর থেকেই নবি মুম্বই বিমানবন্দর থেকে প্রতিদিন চারটি অভ্যন্তরীণ উড়ান চালাবে এয়ার ইন্ডিয়া গ্রুপের সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস। ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে কুয়েতগামী উড়ান চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি ওমানগামী বর্তমান পরিষেবাও নবি মুম্বই বিমানবন্দরে স্থানান্তর করা হবে।
পরবর্তী পর্যায়ে জেড্ডা, রিয়াধ, দাম্মাম, দোহা, মাসকট ও শারজার মতো পশ্চিম এশিয়ার ছ’টি গন্তব্যে উড়ান ধাপে ধাপে নতুন বিমানবন্দরে সরানো হবে। ২০২৭ সালের উত্তর গোলার্ধের গ্রীষ্মকালীন বিমান চলাচলের মরসুমের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
ফেব্রুয়ারি থেকে আন্তর্জাতিক উড়ান ইন্ডিগোর
এয়ার ইন্ডিয়ার পাশাপাশি নবি মুম্বই বিমানবন্দর থেকে আন্তর্জাতিক পরিষেবা শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইন্ডিগো। ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে মুম্বইয়ের বর্তমান বিমানবন্দর থেকে প্রতিদিন ১২টি আন্তর্জাতিক উড়ান ধাপে ধাপে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থাটির।
এই উড়ানগুলির মাধ্যমে বর্তমানে বাহরিন, রিয়াধ, দাম্মাম, জেড্ডা, মদিনা, কুয়েত, রাস আল খাইমা, ফুজাইরা, মাসকট, ঢাকা ও জাকার্তার মতো গন্তব্যে যাতায়াত করা হয়। পাশাপাশি কাঠমান্ডুতে প্রতিদিনের একটি নতুন পরিষেবা চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাইয়ের মধ্যে নবি মুম্বই থেকে ১২টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে পরিষেবা চালুর লক্ষ্য রয়েছে সংস্থাটির।
তবে উড়ান স্থানান্তরের নির্দিষ্ট তারিখ এখনও ঘোষণা করেনি ইন্ডিগো। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন পাওয়ার পর চূড়ান্ত সময়সূচি জানানো হবে।
কেন এই পরিবর্তন?
মুম্বইয়ের পুরনো বিমানবন্দরের টার্মিনাল ১-এর পুনর্নির্মাণের কাজ ২০৩০ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই কাজের জন্য জায়গা তৈরি করতে এবং বর্তমান বিমানবন্দরের উপর চাপ কমাতে নবি মুম্বই বিমানবন্দরকে আরও বেশি করে ব্যবহার করা হবে।
দুটি বিমানবন্দরকে কাজে লাগিয়ে মুম্বই ও সংলগ্ন এলাকার যাত্রীদের যাতায়াতের সুযোগ বাড়ানোই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। তবে যাত্রীদের বিমানবন্দরে পৌঁছনোর আগে টিকিটে উল্লেখ করা বিমানবন্দরের নাম ও উড়ানের সময়সূচি যাচাই করে নেওয়া জরুরি।




