স্পোর্টস ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টে ইনিংস ও ৩১ রানে হারের পর অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। দলের অধিনায়ক প্যাট কামিন্সও স্বীকার করেছেন, ব্যাট হাতে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছে না তাঁর দল।
বৃহস্পতিবারের পরাজয়ের ধাক্কা সামলে আগামী ২৭ অক্টোবর কেপটাউনে শুরু হতে চলা শেষ টেস্টে ঘুরে দাঁড়ানোই এখন অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য। তবে তার আগে একাদশে পরিবর্তন করা হবে কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।
দ্বিতীয় ইনিংসে ফলোঅন করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া থামে ২৯৫ রানে। দলের একাধিক ব্যাটার আবারও ব্যর্থ হন। মার্নাস লাবুশেন ৩৯ রান করে এমন একটি শট খেলেন, যা তাঁর স্বাভাবিক ব্যাটিংয়ের সঙ্গে মানানসই নয়। আকাশে তুলে মারা সেই শটেই উইকেট হারান তিনি। ২০২৩ সালের জুলাইয়ের পর থেকে টেস্টে শতরান করতে পারেননি লাবুশেন। নিক ম্যাডিনসন দুই ইনিংসে শূন্য ও ৮ রান করেন। চোটের বিকল্প হিসেবে দলে তাঁর অন্তর্ভুক্তি নিয়েও শুরু থেকেই প্রশ্ন ছিল। বউ ওয়েবস্টারের সংগ্রহ ১৩ ও ৮। প্রথম টেস্টেও তিনি ব্যাট হাতে কার্যকর হতে পারেননি।
শেষ টেস্টের আগে অস্ট্রেলিয়া দলে ক্যামেরন গ্রিন ও জশ ইংলিসকে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে তাঁদের নাম একাদশ নির্বাচন নিয়ে আলোচনায় উঠে আসতে পারে। কামিন্স জানিয়েছেন, কাউকে আরও একটি ম্যাচে সুযোগ দেওয়া হবে, নাকি এবার পরিবর্তনের পথে হাঁটতে হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ নয়। কোনও ব্যাটার ফর্মে ফেরার মুখে রয়েছেন কি না, সেটাও বিবেচনা করতে হবে।
প্রথম টেস্টে ডারবানে অস্ট্রেলিয়া ২১৪ রানে জিতেছিল। সেই ম্যাচে ম্যাট রেনশ ১০ বছর পর টেস্ট শতরান করে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। কিন্তু কামিন্সের মতে, জয় সত্ত্বেও ব্যাটিংয়ে দল নিজেদের সেরা ছন্দে ছিল না। ব্যাটারদের দক্ষতা এবং নিজেদের কাছে তাঁদের প্রত্যাশা সম্পর্কে অধিনায়কের আস্থা রয়েছে। তবু প্রয়োজনের তুলনায় রান কম হচ্ছে বলেই তাঁর মত।
কেপটাউনে সম্ভাব্য পরিস্থিতি নিয়ে দল আলোচনা করবে। অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া দল অতীতে কঠিন অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু সেই ধারাবাহিকতা এখন দেখা যাচ্ছে না। তাই শেষ টেস্টের আগে অস্ট্রেলিয়ার প্রধান লক্ষ্য ব্যাটিংয়ের দুর্বলতা চিহ্নিত করা এবং দ্রুত সমাধান খুঁজে বের করা।




