কলকাতা, নিউজ ডেস্ক: উৎসবের মাঝে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। শনিবার মহাসপ্তমীর রাতে চোরবাগান সর্বজনীনো পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। কীভাবে শুরু হল হুড়োহুড়ি? দুর্ঘটনার আগের ‘মণ্ডপ ভাঙা’-র ঘোষণা কারা এবং কেন করেছিল? ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে পুজো উদ্যোক্তাদের ভূমিকা নিয়ে।
সোমবার, মহা অষ্টমীর দিন সাংবাদিক বৈঠকে মুখ খুললেন কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) কুণাল আগরওয়াল। তিনি বলেন, সেদিন পদপিষ্টের ঘটনার সময় বৃষ্টি হচ্ছিল। ঠাকুর দেখতে আসা দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো নিয়ে তৈরি হয় জটিল পরিস্থিতি। মণ্ডপের প্রস্থান পথে বিপুল সংখ্যক মানুষের জমায়েতের জেরে যাতায়াত কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। বেরনোর পথ অবরুদ্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
সেই সময় মণ্ডপের দিকে দর্শনার্থীদের আসতে নিষেধ করে মাইকে ঘোষণা করে বলা হয়, 'মণ্ডপের দিকে কেউ আসবেন না। মণ্ডপ ভেঙে গেছে।' এই ঘোষণা ঘিরেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। ঠিক কোন পরিস্থিতিতে এই ঘোষণা করা হয়েছিল, কারা তা করেছিলেন এবং কী কারণে মণ্ডপের অবস্থা খারাপ বলে জানানো হয়েছিল, তা নিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) কুণাল আগরওয়াল
এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বলেন, 'মাইকে পূজো কমিটির পক্ষ থেকে একটা ঘোষণার জন্যই ঘটনাটা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে খবর পেয়েছি। আমাদের এখন অগ্রাধিকার হচ্ছে জখমকে সুস্থ করা। তাঁদের সুচিকিৎসা দেওয়া। এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় দুর্ঘটনার ভুয়ো তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে কোচবিহার থেকে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩৫৩(২) ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। ধৃত এই ব্যক্তির সঙ্গে বাংলাদেশের কোনও যোগ রয়েছে কিনা সেই নিয়েও চলছে তদন্ত।




