জেল থেকে বেরনোর কয়েকঘণ্টা পরেই ফের বিপাকে সৌরভ-আশুতোষ। এবার ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে তলব করল দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। বৃহস্পতিবারই তাঁদের হাজিরা দিতে রাজোরি গার্ডেনের দফতরে।
সৌরভ-আশুতোষের পাশাপাশি ডাকা হয়েছে সিজেপির আর এক নেতা অজিঙ্ক শিন্ডেকেও। যন্তর মন্তরে ঢুকে জাতীয় পতাকা ওড়ানো এবং স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় দু’টি এফআইআর করেছিল পুলিশ। দু’টি মামলার তদন্তভারই তুলে দেওয়া হয়েছিল অপরাধদমন শাখার হাতে। সেই মামলায় তিন নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে সূত্রের খবর।
গত ১৩ অক্টোবর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যন্তরমন্তরে ঢুকে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ দেখান আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস। জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে দিল্লিতে বিক্ষোভ দেখায় বিরোধীরা। তাদের সঙ্গে সিজেপির অন্যতম নেতা অজিঙ্ক শিন্ডে এবং আরও ১১ জন ছিলেন। সকলকে আটক করে পুলিশ।
শিন্ডে সহ বাকিদের পরে ছেড়ে দেওয়া হলেও সৌরভদের গ্রেফতার করা হয় পুলিশের তরফে। পরে সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। তিহাড় জেলে রাখা হয়েছিল ককরোচ পার্টির দুই নেতাকে। টানা সাতদিন পর জেল মুক্তি হয় সিজেপির দুই নেতার।
দিল্লির স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বুধবার সন্ধ্যায় সিজেপির নেতার জামিন মঞ্জুর করেছেন। ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে কথা দিয়ে এসেছেন যে, তাঁরা যন্তর মন্তরে আর কোনও আন্দোলনের ডাক দেবেন না। শান্তি বজায় রাখবেন এবং আগামী দিনে তাঁদের যে কোনও আন্দোলন কর্মসূচি হবে ভারতের সাংবিধানিক কাঠামো মেনে। কিন্ত জেল মুক্তির পর নতুন করে বিপাকে পড়েন সিজেপির দুই নেতা।




