নিউজ ডেস্ক: ছেলেদের গোঁফ-দাড়ি হয় সাধারণত কৈশরে। কিন্তু জন্মের পরই যদি কোনো সদ্যজাতর মুখে গোঁফ দেখা যায় তা সত্যিই অবাক করা কাণ্ড। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমনই এক ভিডিও ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। দাবি করা হচ্ছে, দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ইকুয়েডরে জন্ম হয়েছে এক ‘গোঁফওয়ালা’ শিশুর। যদিও ভিডিওটির সত্যতা এখনও নিশ্চিত নয়।
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, হাসপাতালে শুয়ে রয়েছে এক সদ্যজাত। তার মাথায় ঘন কালো চুল। আর ঠোঁটের ঠিক উপরে স্পষ্ট গোঁফের মতো কালো রোম দেখা যাচ্ছে। এমনকি গালের দু’পাশেও হালকা দাড়ির মতো রোমের আভাস রয়েছে। শিশুটির এই অস্বাভাবিক চেহারা দেখেই বিস্মিত নেটিজেনদের একাংশ।
https://www.instagram.com/reel/DeyExsDRSUy/?utm_source=ig_web_copy_link&rpxt=NTc4MTIwNjQ2YQ==
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। পাশাপাশি মজার মন্তব্য ও মিমের বন্যাও দেখা যাচ্ছে। কেউ শিশুটিকে দেখে বলছেন, জন্ম থেকেই যেন মধ্যবয়স্ক! আবার কারও রসিকতা, শিশুটির চেহারা দেখে মনে হচ্ছে, সে যেন অবসর নেওয়ার পর পৃথিবীতে এসেছে। তবে এই সব মন্তব্যের মাঝেই ভিডিওটির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
চিকিৎসাবিজ্ঞানে ল্যানুগো নামে এক ধরনের সূক্ষ্ম নরম রোম দেখা গিয়েছে ওই নবজাতকের শরীরে। গর্ভাবস্থায় এই রোম শিশুর শরীরে তৈরি হয় এবং জন্মের আগে বা পরে ধীরে ধীরে ঝরে যায়। তবে ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গোঁফের মতো ঘন কালো রোমের সঙ্গে ল্যানুগোর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নির্দিষ্ট তথ্য ছাড়া বলা সম্ভব নয়।
তবে ভিডিওটি সত্য নাকি এর পিছনে রয়েছে AI এর কারসাজি তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। এখনও পর্যন্ত শিশুটির পরিচয়, সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কিংবা ঘটনার নির্ভরযোগ্য প্রমাণ সামনে এসেছে কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। ফলে ভিডিওটিকে ইকুয়েডরের বাস্তব ঘটনা বলে ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই।
AI দিয়ে এধরণের ভিডিও করা সম্ভব। তাই শুধু ভিডিও দেখে সেটিকে সত্যি বা ভুয়ো বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। নির্ভরযোগ্য সূত্রে তথ্য যাচাই না হওয়া পর্যন্ত গোঁফ ওয়ালা শিশুর জল্পনা থেকেই যাচ্ছে।




