নিউজ ডেস্ক : নির্বাচন কমিশনের এক আধিকারিক এর বিরুদ্ধে উঠল গুরুতর অভিযোগ। ওই আধিকারিকের বিরুদ্ধে দুই নির্বাচন কমিশনারের অভিযোগ করেন, আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় না বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগ, ওই আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানানো হলেও কোনও পদক্ষেপ করেনি ক্যাবিনেট সচিবালয়। RTI-এর আওতায় প্রকাশিত নথি থেকে এই তথ্য সামনে এসেছে। আর এই ঘটনাকে ঘিরে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশী ২৯ জুলাই ক্যাবিনেট সচিব টি ভি সোমনাথনকে পৃথক চিঠি পাঠান। তাঁদের অভিযোগ ছিল, সিনিয়র ডেপুটি ইলেকশন কমিশনার মনীশ গর্গ প্রশাসনিক দায়িত্বে অতিরিক্ত দায়িত্ব পাওয়ার পর ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের কাজের বণ্টনে পরিবর্তন আনেন। অভিযোগকারীদের দাবি, নির্বাচন কমিশন বা সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে আগে আলোচনা না করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
ক্যাবিনেট সচিবালয়ের ৩ ও ৪ অগস্টের নথিতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানে বলা হয়, নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। কমিশনের সামগ্রিক অবস্থান না জেনে পদক্ষেপ করলে তা কমিশনের কাজে নির্বাহী বিভাগের হস্তক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। শেষ পর্যন্ত ৫ অগস্ট দুই কমিশনারের চিঠি পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে জবাব পাঠানো হয়। চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের দফতর এবং কর্মিবর্গ ও প্রশিক্ষণ দফতরের সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের কাছেও। তবে অভিযোগের ভিত্তিতে সরাসরি কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে।
এই ঘটনায় আবারও নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, আধিকারিকদের দায়িত্ব বণ্টন এবং একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কাজে নির্বাহী বিভাগের হস্তক্ষেপের সীমা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।




