শেয়ার বাজারে পা রাখার আগেই বিপুল আগ্রহ তৈরি করেছে জিও প্ল্যাটফর্মসের IPO। প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে আবেদনকারীর সংখ্যা এক কোটি ছাড়িয়ে গিয়েছে বলে বিভিন্ন রিপোর্টে জানানো হয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক স্তরে IPO-র ক্ষেত্রে নতুন নজির তৈরি করল রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের এই ডিজিটাল সংস্থা। ২৩ অক্টোবর, শুক্রবার ইস্যুটিকে ঘিরে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক তৎপরতা দেখা যায়।
প্রায় ৩০,২১৩ কোটি টাকার এই IPO-তে শেয়ারের দাম রাখা হয়েছে ১,০৬৫ থেকে ১,১১৯ টাকার মধ্যে। ইস্যুর শেষ দিনে নির্ধারিত শেয়ারের তুলনায় একাধিক গুণ বেশি চাহিদা তৈরি হয়। বিভিন্ন শ্রেণির বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণে সাবস্ক্রিপশনের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে। বিশেষ করে বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও অ-প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের তরফে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা গিয়েছে।
বাজারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শুক্রবার দুপুরের একটি আপডেটে যোগ্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ অংশে সাবস্ক্রিপশন ১৬ গুণের বেশি হয়েছিল। অ-প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রেও চাহিদা ছিল বরাদ্দের প্রায় ১০ গুণ। খুচরো বিনিয়োগকারীদের জন্য নির্দিষ্ট অংশেও বরাদ্দের তুলনায় বেশি আবেদন জমা পড়ে।
এর আগে ওয়ারি এনার্জিজের IPO-তে বিপুল সংখ্যক আবেদন জমা পড়েছিল। জিও প্ল্যাটফর্মসের ক্ষেত্রে সেই সংখ্যাকেও ছাপিয়ে যাওয়ার খবর সামনে এসেছে। সংস্থার ডিজিটাল পরিষেবা, টেলিকম ব্যবসা এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের সম্ভাবনা বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণের অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। তবে IPO-তে বেশি আবেদন জমা পড়লেই তালিকাভুক্তির পর শেয়ারের দাম বাড়বে, এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। বাজারে শেয়ারের ভবিষ্যৎ দর নির্ভর করবে সংস্থার আর্থিক ফলাফল, ব্যবসার বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক শেয়ার বাজারের পরিস্থিতির উপর।




