কলকাতা, নিউজ ডেস্ক: ক্রীড়াক্ষেত্রে দেশের যুবশক্তিকে আরও সক্রিয় করতে বড় উদ্যোগ কেন্দ্রের। জাতীয় ক্রীড়া দিবসের দু’দিন আগে, অর্থাৎ আগামী ২৭ অগাস্ট দেশের যুবসমাজ এবং ক্রীড়াবিদদের উদ্দেশে ভার্চুয়াল ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
‘খেলো ইন্ডিয়া সংবাদ, খেল কি বাত, পিএম কে সাথ’ নামে এই কর্মসূচিতে দেশের ১৫০০টির-ও বেশি জায়গা থেকে যুবক-যুবতীরা যোগ দেবেন। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য জানিয়েছেন, আইআইটি, আইআইএম, এনআইটি, এইমস-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও এই কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে।
২৯ অগাস্ট হকির কিংবদন্তি মেজর ধ্যানচাঁদের জন্মদিন। তাঁর জন্মবার্ষিকীকেই দেশে জাতীয় ক্রীড়া দিবস হিসেবে পালন করা হয়। তার আগে আয়োজিত এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের ক্রীড়া পরিকাঠামো, প্রতিভা অন্বেষণ এবং যুবসমাজের ভূমিকা নিয়ে সরাসরি আলোচনা করতে চাইছে কেন্দ্র। মাণ্ডব্য জানিয়েছেন, গত ১২ বছরে দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে যে পরিবর্তন এসেছে, তা নিয়ে একটি বিশেষ ভিডিও-ও দেখানো হবে। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হবে অনুষ্ঠান।
এই অনুষ্ঠানে বর্তমান এবং প্রাক্তন ভারতীয় ক্রীড়াবিদদেরও যুবসমাজের সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য রাখা হয়েছে। ভারতীয় অলিম্পিক সংস্থার সভাপতি পি টি ঊষা ছাড়াও মনিকা বাত্রা, দীপা কর্মকার, সাইনা নেহওয়াল, গগন নারাং, শ্রীজেশ, মেরি কম, বাইচুং ভুটিয়া, পুল্লেলা গোপীচাঁদ, অঞ্জু ববি জর্জ, কর্ণম মল্লেশ্বরী, মীরাবাঈ চানু-সহ একাধিক তারকা ক্রীড়াবিদ অংশ নিতে চলেছেন। নিজেদের সাফল্য, ব্যর্থতা, চ্যালেঞ্জ এবং লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা তরুণদের সামনে তুলে ধরবেন তাঁরা।
কেন্দ্রের বক্তব্য, এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য চারটি। (১) তৃণমূল স্তরে উন্নত পরিকাঠামো, প্রশিক্ষণ ও সুযোগ পৌঁছে দেওয়া। (২) ২০৩৬ সালের অলিম্পিকের কথা মাথায় রেখে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে প্রতিভা চিহ্নিত ও গড়ে তোলা। (৩) যুব নেতৃত্ব এবং প্রশাসনে তাঁদের অংশগ্রহণ বাড়ানো। (৪) ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে যুবসমাজকে ভবিষ্যৎমুখী দক্ষতা ও স্বেচ্ছাসেবার সঙ্গে যুক্ত করা। তাঁদের মতামত সরাসরি নীতিনির্ধারকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাও থাকবে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে ‘বিকশিত ভারত ইয়ং লিডার্স ডায়লগ’ কুইজ এবং মাই ভারত পোর্টালে রেজিস্ট্রেশনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।