কলকাতা, নিউজ ডেস্ক: দশমীর রাতেই সিপিএমের পার্টি অফিসে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে রাজারহাটের বিষ্ণুপুর ২ নম্বর পঞ্চায়েতের বসিনা মণ্ডলপাড়া এলাকায়। অভিযোগের তীর বিজেপির স্থানীয় কর্মীদের দিকে। কিন্তু সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন রাজারহাট-নিউটানের বিজেপি বিধায়ক পীযূষ কানোডিয়া। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে আটক বা গ্রেফতার করা হয়নি।
জানা গিয়েছে, দশমীর দিন গভীর রাতে পার্টি অফিসে ঢুকে ব্যাপক তাণ্ডব চালানো হয়। চেয়ার থেকে সিলিং পাখা ভাঙা কোনোটাই বাদ যায়নি। চেয়ার থেকে শুরু করে সিলিং ফ্যান সবকিছু রীতিমতো ভেঙে তছনছ করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এর আগেও তাঁদের এই কার্যালয়টি দখল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু সেটি না পাড়ায় প্রতিশোধ স্বরূপ ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। অন্যদিকে, একইদিনে রাজারহাটের শিবতলা এলাকায় কংগ্রেসের একটি পার্টি অফিসেও হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। সেখানেও অভিযোগের তির স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের দিকে।
স্থানীয় কংগ্রেস নেতা আব্দুল মোহিত দাবি করেছেন, সিসিটিভি ফুটেজে স্পষ্ট দেখা গিয়েছে যে একাধিক ব্যক্তি বাইকে করে এসে তাঁদের কার্যালয়ে ভাঙচুর চালায়। ইতিমধ্যেই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে কংগ্রেস নেতৃত্ব। এদিকে বিজেপি বিধায়ক পীযূষ কানোডিয়া আরও বলেন, 'এত বছর ধরে যুব সমাজকে শেষ করেছে এই মার্কসবাদ। শুধু প্রেস-মিডিয়ায় আসার জন্য নিজেরা নিজেরাই এই সমস্ত ঘটনা ঘটাচ্ছে। তিনি চ্যালেঞ্জ করে বলেন, যদি প্রমাণ করা যায় যে কোনও বিজেপি নেতা বা কর্মী এই ভাঙচুরের সঙ্গে যুক্ত, তবে তিনি রাজনীতি ছেড়েই দেবেন।'
সম্প্রতি, বামেদের বইয়ের স্টল ঘিরে ফের উত্তপ্ত কলকাতা-সহ রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। গত শনিবার যাদবপুর ৮বি চত্বরে বামেদের বুক স্টল ভাঙতে পৌঁছে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী এবং সঙ্গে ছিল বুলডোজার। দফায়-দফায় ভাঙচুর চালানো হয় স্টলে। পুলিশ এসে অনুমতির কাগজপত্র দেখতে চাইলে পার্টির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বচসা হয়। শুধু শহর কলকাতা নয়, জেলায় জেলায়ও দেখা গিয়েছে একই ছবি। এবার নতুন করে হামলার অভিযোগ উঠেছে সিপিএমের পার্টি অফিসে।




