JAZZBAAT 24 বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: কুলদীপ যাদবকে নিয়ে যাবতীয় জল্পনায় এ বার জল ঢালল ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টে তাঁকে দলে না রাখার কারণ যে সত্যিই অসুস্থতা, তা স্পষ্ট করে দিলেন ভারতের ব্যাটিং কোচ সীতাংশু কোটাক। তাঁর সাফ কথা, কোনও ক্রিকেটারকে একাদশের বাইরে রাখার জন্য অসুস্থতার ‘অজুহাত’ খাড়া করার প্রয়োজন নেই। গলে প্রথম টেস্টের পর ভাইরাল জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিলেন কুলদীপ। সেই কারণেই কলম্বোয় দ্বিতীয় টেস্টে তাঁকে পাওয়া যায়নি।
কোটাকের বক্তব্য অবশ্য বোলিং কোচ সাইরাজ বাহুতুলের আগের মন্তব্যের সঙ্গে খানিকটা অসঙ্গতিও তৈরি করেছে। বাহুতুলে জানিয়েছিলেন, কলম্বোয় টানা দু’দিন নেটে দেখা যায়নি কুলদীপকে। তার কারণ ভ্রমণজনিত ক্লান্তি। কিন্তু কোটাক জানালেন, গলেতেই কুলদীপের ভাইরাল জ্বর হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘‘দলের স্পিনার প্রয়োজন হলে এবং কোনও ক্রিকেটার খেলতে না পারলে, সে অসুস্থ ছিল না—এমনটা দেখানোর কোনও কারণ নেই।’’ তাঁর দাবি, কুলদীপ এখন অনেকটাই সুস্থ। তবে ম্যাচ শুরুর সময় তিনি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত ছিলেন না।
কুলদীপের অনুপস্থিতি এবং শ্রীলঙ্কার প্রথম সারিতে চার জন বাঁ-হাতি ব্যাটার থাকায় অভিষেক ঘটে অফস্পিনার সারাংশ জৈনের। তিন পেসার না তিন স্পিনার? এই সমীকরণে অফস্পিনারকে খেলানোই যুক্তিযুক্ত মনে হয়েছে বলে জানান কোটাক। এ দিকে ঋষভ পন্থের চোট নিয়েও স্বস্তির খবর দিয়েছেন তিনি। লাহিরু কুমারার বলে হাতে আঘাত পেয়ে মাত্র তিন রানে রিটায়ার্ড হার্ট হন পন্থ। তবে দ্বিতীয় দিন তিনি ব্যাট করতে পারবেন বলেই আশাবাদী ভারতীয় কোচ।
প্রথম টেস্টের পর দ্বিতীয় টেস্টেও শতরান করে নজর কেড়েছেন দেবদত্ত পাড়িক্কাল। ১৬৮ বলে ১১৭ রান করে ভারতকে প্রথম দিনের শেষে ৩০০ রানে পৌঁছে দিয়েছেন তিনি। পর পর দু’টি শতরান করলেও তিন নম্বর জায়গাটি পাকাপাকি ভাবে পাড়িক্কালকে দেওয়া হচ্ছে কি না, তা অবশ্য এখনই স্পষ্ট করেননি কোটাক। তাঁর মতে, রান করাটাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে প্রথম দিনের পারফরম্যান্সে খুশি হলেও তিনি আক্ষেপ করেছেন—সেট ব্যাটারদের কেউ আরও বড় ইনিংস খেললে ভারতের স্কোর আরও শক্তিশালী হতে পারত। এখন নজর নীচের সারির ব্যাটারদের দিকে। দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশন ভাল ভাবে কাটাতে পারলে বড় রানের ভিত তৈরি হবে বলেই মনে করছেন তিনি।