নিউজ ডেস্ক : রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের সূত্রপাত একটি হোর্ডিংকে ঘিরে। প্রকাশ্যে আসা একটি ছবিকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা, উঠেছে রাজনৈতিক প্রতিবাদের ধরন নিয়েও প্রশ্ন। কে বা কারা এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে, তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও তথ্য সামনে আসেনি। তবে, বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছেন তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ। তাঁর বক্তব্যে যেমন দেখা গিয়েছে ঘটনার প্রতি অসন্তোষ, তেমনই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠে এসেছে একাধিক প্রশ্ন।
https://x.com/KunalGhoshAgain/status/2113518413507436753
ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। বেলেঘাটা এলাকায় তাঁর একটি হোর্ডিং-এর মুখের উপর কালি লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন কুনাল ঘোষ। শুধুমাত্র তাই নয়, ওই হোর্ডিংয়ে 'চোর' শব্দটিও লেখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর, সমাজ মাধ্যমে একটি পোস্ট করে এই ঘটনার কথা তুলে ধরেন তৃণমূল নেতা। তবে, এই কাজের নিন্দা করবেন কি না, তা নিয়ে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে চাননি তিনি।
কুনাল ঘোষের বক্তব্য, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের বিরুদ্ধে সমালোচনা হতেই পারে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকাও স্বাভাবিক। কিন্তু, সেই প্রতিবাদের ভাষা এবং পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। একইসঙ্গে সুদীপের হোর্ডিং এ কালি লাগানোর ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেও তাঁর বক্তব্যে রয়েছে রাজনৈতিক তাৎপর্যও। কুনালের দাবী, যদি এই ধরনের প্রতিবাদ হয়ে থাকে তাহলে অন্য দলবদলু নেতাদের ক্ষেত্রে একই পদক্ষেপ নেওয়া হলো না কেন।
সমাজ মাধ্যমের পোস্টে কুনাল আরও দাবি করেছেন, তাঁর কাছে খবর রয়েছে বিজেপির ছত্রছায়ায় আশা বিতর্কিত এবং দলবদলু নেতাদের নিয়ে অসন্তুষ্ট কিছু মানুষ এই প্রতিবাদ করে থাকতে পারেন। যদিও কুনালের এই দাবির সমর্থনে এখনও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত কোনও তথ্য সামনে আসেনি। ফলে, কারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তা নিয়ে জল্পনা অব্যাহত।
এদিকে, পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কুনাল ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, অতীতে তাঁর উপর হামলার ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। সেই প্রসঙ্গ টেনে তিনি পুলিশকে সতর্ক করেছেন, এই ঘটনাই যেন অযথা তৎপরতা দেখানো না হয়। তবে, হোর্ডিং-এ কালি লাগানোর ঘটনায় পুলিশের তরফে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সামনে আসেনি। সব মিলিয়ে একটি হোর্ডিংকে ঘিরে তৈরি হওয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা শুরু হয়েছে। প্রতিবাদের ধরন, দলবদলু নেতাদের অবস্থান এবং পুলিশের ভূমিকা, সবকিছু নিয়ে এখন আলোচনা তুঙ্গে।




