নয়াদিল্লি: এনসিপিআই ইস্যুতে এবার কি চূড়ান্ত পদক্ষেপের পথে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা? সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদারদের আর বেশি সময় দিতে নারাজ স্পিকার, এমনই জল্পনা তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সূত্রের খবর, নোটিসের জবাব দেওয়ার জন্য এবার শেষ সময়সীমা বেঁধে দিতে পারেন তিনি। ফলে এই ইস্যুতে দীর্ঘদিন ধরে চলা টানাপোড়েনের দ্রুত নিষ্পত্তির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
জানা গিয়েছে, নোটিসের জবাব দেওয়ার জন্য আরও সময় চেয়ে আবেদন করেছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। চতুর্থবারের জন্য সময়সীমা বাড়ানোর আর্জি জানিয়ে আগামী ৩ নভেম্বর পর্যন্ত সময় চেয়েছেন তিনি। তবে বারবার সময় চাওয়ার পর এবার স্পিকার কী সিদ্ধান্ত নেন, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।
চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দিতে পারেন স্পিকার
সূত্রের খবর, নোটিসের জবাব জমা দেওয়ার জন্য আর কতটা সময় দেওয়া হবে, তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন ওম বিড়লা। এবার সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়ে সংশ্লিষ্টদের স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।
এই ঘটনায় মূল প্রশ্ন, নোটিসের জবাব দেওয়ার জন্য আরও সময় পাবেন কি সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও কাকলি ঘোষ দস্তিদাররা? নাকি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাব না এলে পরবর্তী পদক্ষেপ শুরু করবে স্পিকারের দফতর? এই প্রশ্নকে ঘিরেই এখন জোর আলোচনা চলছে।
সুপ্রিম কোর্টের সময়সীমা বনাম স্পিকারের এক্তিয়ার
সূত্রের দাবি, এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট এক মাসের সময়সীমা নির্ধারণ করে দিলেও স্পিকারের নিজস্ব এক্তিয়ার রয়েছে। সেই এক্তিয়ার অনুযায়ী, নোটিসের জবাব জমা দেওয়ার সময়সীমা নিয়ে তিনি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে।
তবে আদালতের নির্দেশের প্রকৃত পরিধি এবং স্পিকারের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট নথি ও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের উপর। এই বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কোনও নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তকে নিশ্চিত বলে ধরে নেওয়া যাচ্ছে না।
নোটিসের জবাব এলেই কি শুরু হবে নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া?
সূত্রের খবর, নোটিসের জবাব জমা পড়লেই এনসিপিআই ইস্যুর দ্রুত নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া শুরু করতে চান স্পিকার। অর্থাৎ, দীর্ঘদিন ধরে চলা এই বিষয়টি আর অনির্দিষ্টকাল ঝুলিয়ে রাখতে চাইছে না স্পিকারের দফতর, এমনই ইঙ্গিত মিলছে।
এখন নজর আগামী ৩ নভেম্বরের দিকে। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সময় বাড়ানোর আবেদন মঞ্জুর হবে, নাকি তার আগেই চূড়ান্ত সময়সীমা ঘোষণা করা হবে, তা স্পষ্ট নয়। স্পিকারের পরবর্তী সিদ্ধান্তই এই রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক বিতর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণ করতে পারে।





