নিউজ ডেস্ক: চোরবাগানে পদপিষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১৯ জন। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। চোরবাগানের ঘটনায় মৃতদের পরিবারকে ২৫ লক্ষ টাকা এবং পরিবারের একজন সদস্যকে সরকারি চাকরি দেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আজ, রবিবার পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরে চোরবাগানে মৃত কল্পনা জানার বাড়িতে শ্রদ্ধা জানাতে যান মুখ্যমন্ত্রী। নিহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি তাঁদের হাতে সরকারি আর্থিক সাহায্য তুলে দেন তিনি।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'পরিবারের অপূরণীয় ক্ষতি কোনও কিছু দিয়েই পূরণ করা সম্ভব নয়। তবুও সরকার তার দায়িত্ব এড়িয়ে যাবে না। সর্বদা পাশে থাকবে। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা পড়লে তা বিধানসভায় পেশ করা হবে, যাতে সাধারণ মানুষ সবকিছু জানতে পারেন।'
পাশাপাশি, কৃষি, শিল্প, শিক্ষা থেকে সিজেপি আন্দোলন নিয়ে বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, 'বামেদের ৩৪ বছর এবং তৃণমূলের ১৫ বছরের শাসনে বাংলার সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের চরম অবনতি ঘটেছে। কিন্তু এই সরকার তা হতে দেবে না। ছাত্রছাত্রীদের রাষ্ট্রবাদী করার জন্য প্রত্যেক বছর তিনদিন করে অন্তত বিতর্ক, কুইজ প্রতিযোগিতা তাৎক্ষণিক বক্তৃতা এগুলোও কালচারাল ইভেন্টের মধ্যে আনতে হবে। তাহলেই এই ‘আরশোলা’, ‘ছারপোকা’ ‘দিমাগি নকশাল’, টুকরে টুকরে গ্যাং, কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি- এইসব ভাইস যে করোনা ভাইরাসের মতো চেষ্টা করছে, এদেরকে তাহলে আর হিট লাগত না স্প্রে করার জন্য।'
একইসঙ্গে শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়নে স্কুলে পাস-ফেল প্রথা পুনরায় চালু করার দাবি জানান মুখ্যমন্ত্রী। এমনকি ছাত্রছাত্রীদের মোবাইলের অপব্যবহার রুখতে কড়া পদক্ষেপের পক্ষে মত দেন তিনি। শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক বিকাশের ওপর জোর দিয়ে বলেন, 'স্কুলগুলিতে তবলা, হারমোনিয়াম, গিটার, সেতার, মৃদঙ্গ ও খঞ্জনির মতো বাদ্যযন্ত্র শেখার সুযোগ করে দেওয়া উচিত।'




