নিউজ ডেস্ক: একটি সংগঠনের দীর্ঘপথ চলার সাক্ষী হতে এক মঞ্চে সমবেত হলেন রাজনীতি, সংবাদমাধ্যম ও প্রশাসনিক মহলের একাধিক পরিচিত মুখ। অনুষ্ঠান ঘিরে ছিল বিশেষ তাৎপর্য আর অতিথিদের উপস্থিতি ঘিরেও তৈরি হয়েছিল আগ্রহ। শতবর্ষের মাইলফলক ছুঁয়ে দাঁড়িয়ে সংগঠনটি কোন বার্তা দিতে চায়, সেদিকেই নজর ছিল উপস্থিত মহল থেকে শুরু করে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।
২০ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, মহারাষ্ট্রের নাগপুরে রেশীমবাগ ময়দানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রথাগত বিজয়া দশমী উৎসব এবং শতবর্ষ উদযাপনের সমাপনী অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক জাগরণের প্রধান সম্পাদক ও সিইও সঞ্জয় গুপ্ত। সংগঠনের সরসংঘচালক ড: মোহন ভাগবত শাস্ত্র পূজা সম্পন্ন করার পর বার্ষিক বক্তব্য পেশ করেন।
এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করী এবং মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন ফড়নবীস। আমন্ত্রিত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের তালিকায় ছিলেন ইজরায়েলের এক কূটনৈতিক প্রতিনিধি ইয়ানিভ রেভাখ। শতবর্ষের এই বিশেষ আয়োজনে একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তির উপস্থিতি অনুষ্ঠানের গুরুত্ব বাড়িয়ে তোলে।
https://www.facebook.com/share/v/1Jh7u2f71W/
১৯২৫ সালে বিজয়া দশমীর দিন আরএসএস প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সেই প্রতিষ্ঠার শতবর্ষ উপলক্ষে ১৯২৫ সাল থেকে সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচি ও উদযাপন চলছে। ২০২৬ সালের নাগপুরের অনুষ্ঠানকে সেই শতবর্ষ উদযাপনের সমাপনী পর্ব হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। সংগঠনের দীর্ঘ ইতিহাস, সাংগঠনিক বিস্তার এবং দেশের সামাজিক জীবনে তার ভূমিকা এই উপলক্ষে আবারও আলোচনায় উঠে আসে।
বিজয়া দশমীর অনুষ্ঠানে মোহন ভাগবতের বার্ষিক বক্তব্য আরএসএসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্ব । তাঁর বক্তব্যে দেশের বৈচিত্র, জাতীয় ঐক্য এবং সাংগঠনিক দৃষ্টিভঙ্গির মতো বিষয় উঠে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। শতবর্ষের এই অনুষ্ঠান শুধুমাত্র একটি বার্ষিক উৎসব নয়, বরং আরএসএসএর দীর্ঘ সাংগঠনিক যাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্ব। বিশিষ্ট অতিথিদের উপস্থিতি, প্রথাগত শাস্ত্রপূজা এবং বার্ষিক ভাষণের মধ্য দিয়ে নাগপুরের এই আয়োজন বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। আগামী দিনে সংগঠনটি তার শতবর্ষের অভিজ্ঞতা কিভাবে কাজে লাগায় এবং সমাজে তার ভূমিকা কিভাবে এগিয়ে নিয়ে যায় সেদিকেই নজর থাকবে।




