JAZZBAAT 24 BANGLA
০৭ অক্টো ২০২৬, ০৫:২৬ এএম
Breaking
Earthquake: দিল্লিতে ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্প, তীব্র কম্পনে কাঁপল দিল্লি-এনসিআর-সহ উত্তর ভারত Shreyas Iyer: অধিনায়কের বিধ্বংসী শতরানে ক্যারিবিয়ানদের ওড়াল টিম ইন্ডিয়া, দলে ফিরলেন ভু... Smriti Mandhana: দু'বার চ্যাম্পিয়ন করেছেন আইপিএল দলকে, হরমন সরতেই টিম ইন্ডিয়ার নেতৃত্বে... J.P.Nadda: নাড্ডার কনভয়ে হামলা মামলায় বড় অগ্রগতি, জাহাঙ্গীর খান ওরফে পুষ্পা গ্রেফতার Headmaster: ক্লাস চলাকালীন কার্পেট পেতে ঘুম প্রধান শিক্ষকের, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তোলপাড় রাজস... Durga puja: বাংলার ১২ কিংবা ১৮ হাতের প্রচলিত দূর্গা পুজোর অজানা ইতিহাস Big-Boss 2026: তনুশ্রী নয় দুর্নিবারই আসল মাস্টারমাইন্ড, দুর্গ থেকে বেরিয়েই বিষ্ফোরক অনিন... Durga Puja: মহালয়ার আগেই বোধন, ১৬ দিনে ১৬ রূপে পুজো শিখরবাসিনীর Earthquake: দিল্লিতে ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্প, তীব্র কম্পনে কাঁপল দিল্লি-এনসিআর-সহ উত্তর ভারত Shreyas Iyer: অধিনায়কের বিধ্বংসী শতরানে ক্যারিবিয়ানদের ওড়াল টিম ইন্ডিয়া, দলে ফিরলেন ভু... Smriti Mandhana: দু'বার চ্যাম্পিয়ন করেছেন আইপিএল দলকে, হরমন সরতেই টিম ইন্ডিয়ার নেতৃত্বে... J.P.Nadda: নাড্ডার কনভয়ে হামলা মামলায় বড় অগ্রগতি, জাহাঙ্গীর খান ওরফে পুষ্পা গ্রেফতার Headmaster: ক্লাস চলাকালীন কার্পেট পেতে ঘুম প্রধান শিক্ষকের, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তোলপাড় রাজস... Durga puja: বাংলার ১২ কিংবা ১৮ হাতের প্রচলিত দূর্গা পুজোর অজানা ইতিহাস Big-Boss 2026: তনুশ্রী নয় দুর্নিবারই আসল মাস্টারমাইন্ড, দুর্গ থেকে বেরিয়েই বিষ্ফোরক অনিন... Durga Puja: মহালয়ার আগেই বোধন, ১৬ দিনে ১৬ রূপে পুজো শিখরবাসিনীর

৫৭ পেরিয়েও দাপট! তারাপুরে পরমাণুর নতুন ইনিংসের 'রহস্য' কী?

৫৭ পেরিয়েও দাপট! তারাপুরে পরমাণুর নতুন ইনিংসের 'রহস্য' কী?

মুম্বই, নীলাঞ্জন দাশগুপ্ত: বয়স ৫৭। যে বয়সে বহু যন্ত্রপাতি ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নেয়, সেই বয়সেই এখনও বিদ্যুৎ তৈরি করছে তারাপুর। সমুদ্রের ধারে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকা দু’টি সবুজ ভবন বাইরে থেকে দেখলে হয়তো খুব সাধারণ। কিন্তু তাদের ভিতরেই রয়েছে ভারতের বাণিজ্যিক পরমাণু বিদ্যুতের প্রথম অধ্যায়ের ইতিহাস। ১৯৬৯ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করা তারাপুর অ্যাটমিক পাওয়ার স্টেশনের ১ ও ২ নম্বর ইউনিট আজও বিশ্বের সবচেয়ে পুরনো চালু থাকা বাণিজ্যিক পরমাণু রিয়্যাক্টর। আর সবচেয়ে বড় খবর—বয়সের ভারে থেমে যাওয়ার বদলে আধুনিকীকরণের পরে তারা পেয়েছে আরও প্রায় এক দশকের জীবন।

এ যেন পুরনো ইঞ্জিন খুলে একেবারে নতুন করে সাজিয়ে ফের রাস্তায় নামানো। তবে রাস্তা নয়, এখানে প্রশ্ন হাজার হাজার মানুষের ঘরে পৌঁছে দেওয়া বিদ্যুতের। আর সেই কারণেই তারাপুরের সাম্প্রতিক ‘পুনর্জন্ম’ ভারতের পরমাণু কর্মসূচির কাছে নিছক একটি প্রযুক্তিগত সাফল্য নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি পারমাণবিক নিরাপত্তা এবং দেশীয় প্রযুক্তি-দক্ষতারও পরীক্ষা। ১৯৬৯ সালে যখন তারাপুরের দুই ইউনিট চালু হয়, তখন ভারত পরমাণু বিদ্যুতের ক্ষেত্রে এখনও অনেকটাই শিক্ষানবিশ। আমেরিকার প্রযুক্তির সাহায্যে তৈরি হয়েছিল এই দুই ‘বয়লিং ওয়াটার রিয়্যাক্টর’ বা BWR। প্রতিটি ইউনিটের ক্ষমতা ১৬০ মেগাওয়াট। 

সেই সময় এশিয়ার প্রথম বাণিজ্যিক পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলির অন্যতম ছিল তারাপুর। পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পরে সেই দুই রিয়্যাক্টরই এখন ভারতের প্রযুক্তিগত যাত্রার এক জীবন্ত দলিল। কিন্তু বয়স বাড়লে পরমাণু চুল্লির ক্ষেত্রে শুধু ‘চালু আছে’ বললেই তো চলে না। আসল প্রশ্ন নিরাপত্তা। কোন যন্ত্র কতটা ক্ষয় হয়েছে, কোন পাইপে দীর্ঘদিনের ব্যবহারের প্রভাব পড়েছে, রিয়্যাক্টরের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলির অবস্থা কেমন—প্রতিটি বিষয় পরীক্ষা করতে হয়। তারাপুরেও হয়েছে দীর্ঘমেয়াদি পরিদর্শন, সংস্কার এবং নিরাপত্তা-উন্নয়ন। 

তারাপুরের সংস্কারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ছিল রিয়্যাক্টর কুল্যান্ট রিসার্কুলেশন পাইপিংয়ের সম্পূর্ণ পরিবর্তন। এই পাইপিং ব্যবস্থার কাজ রিয়্যাক্টরের ভিতরের জল সঞ্চালনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। দীর্ঘদিন ব্যবহারের পরে পুরনো ব্যবস্থার জায়গায় উন্নত, ক্ষয়-প্রতিরোধী স্টেইনলেস স্টিলের নতুন পাইপ ও ফিটিং বসানো হয়েছে। কাজটি কতটা কঠিন, তা বোঝাতে প্রকৌশলীরা ‘ওপেন হার্ট সার্জারি’-র সঙ্গে তুলনা করেছেন। কারণ সাধারণ কোনও কারখানার যন্ত্র বদলানোর মতো বিষয় নয় এটি। রিয়্যাক্টরের গুরুত্বপূর্ণ অংশে কাজ করতে হয়েছে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে। রেডিয়েশনের ঝুঁকি থাকায় মানুষের সরাসরি উপস্থিতি যতটা সম্ভব কমিয়ে বিশেষ সরঞ্জাম ও পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। কাজের আগে মক-আপ বা প্রতিরূপে বার বার মহড়াও দেওয়া হয়েছে ।

শুধু পাইপ বদলেই অবশ্য কাজ শেষ হয়নি। নিরাপত্তা ব্যবস্থাতেও যোগ হয়েছে একাধিক নতুন স্তর। রিয়্যাক্টর কনটেনমেন্ট ফিল্টারড ভেন্টিং সিস্টেম এবং বিকল্প কুলিং ওয়াটার সিস্টেমের মতো ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি রিয়্যাক্টর প্রেসার ভেসেলের গুরুত্বপূর্ণ ওয়েল্ড-সহ বিভিন্ন অংশের পরীক্ষা করা হয়েছে। বয়সজনিত ক্ষয় কতটা হয়েছে এবং অবশিষ্ট আয়ু কতটা—সেই মূল্যায়নও করা হয়েছে। এই বিশাল সংস্কারের জন্য তারাপুরের দুই ইউনিট দীর্ঘ সময় বন্ধ ছিল। ১ নম্বর ইউনিটের পুনর্নবীকরণ ও পর্যালোচনার পরে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে পুনরায় চালুর অনুমতি মেলে। ২০২৬ সালের শুরুতেই সেটি ফের ১৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতায় কাজ শুরু করে। দ্বিতীয় ইউনিটের ক্ষেত্রেও একই ধরনের সংস্কার ও নিরাপত্তা পর্যালোচনা হয়েছে। ২০২৬ সালের ৭ মে পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রক বোর্ড (AERB) ইউনিট-২ পুনরায় চালু করা এবং আরও ১০ বছর চালানোর অনুমতি দেয়। অর্থাৎ ৫৭ বছরের পুরনো রিয়্যাক্টরের গল্প আপাতত শেষ হচ্ছে না।

এখানে অবশ্য একটি বিষয় স্পষ্ট করা জরুরি। ‘পুরনো রিয়্যাক্টর’ মানেই ‘পুরনো অবস্থায় চালানো’ নয়। বরং বয়স যত বাড়ে, নির্দিষ্ট সময় অন্তর তার নিরাপত্তা মূল্যায়ন এবং আধুনিকীকরণ তত বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তারাপুরের ক্ষেত্রে সেই পরীক্ষাই হয়েছে বহু স্তরে। AERB-র পর্যালোচনার পরেই পরবর্তী দশকের অনুমতি মিলেছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার নজরদারিও চলবে। তারাপুরের সবচেয়ে বড় তাৎপর্য হয়তো এখানেই। ১৯৬৯ সালে যে কেন্দ্রের যাত্রা শুরু হয়েছিল বিদেশি প্রযুক্তির সাহায্যে, আজ সেই কেন্দ্রের জীবন বাড়ানোর কাজ করেছে ভারতীয় বিজ্ঞানী, ইঞ্জিনিয়ার এবং দেশীয় শিল্পের দক্ষতা। কেন্দ্রীয় পরমাণু শক্তি দফতরের বক্তব্যেও এই পরিবর্তনের উপর জোর দেওয়া হয়েছে—তারাপুরের জীবনকাল বৃদ্ধিকে তারা প্রযুক্তি আমদানি থেকে প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতার দিকে ভারতের যাত্রার প্রতীক হিসেবে দেখছে।

এক সময়ে বিদেশি প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীলতা ছিল বাধ্যতামূলক। পরে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, প্রযুক্তি-নিষেধ এবং জ্বালানি সংক্রান্ত নানা চ্যালেঞ্জ ভারতকে নিজের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে বাধ্য করেছে। সেই পথেই ধীরে ধীরে তৈরি হয়েছে নিজস্ব নকশা, নিজস্ব যন্ত্রাংশ, নিজস্ব রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং সবচেয়ে বড় কথা—নিজস্ব দক্ষ মানবসম্পদ।
পরমাণু শক্তির ক্ষেত্রে ভারতের ছবিটা এখন আরও বিস্তৃত। এক দিকে রয়েছে তারাপুরের ৫৭ বছরের পুরনো রিয়্যাক্টর, অন্য দিকে কালপাক্কমে নতুন প্রজন্মের প্রযুক্তি। অর্থাৎ ভারত একই সময়ে পরমাণু প্রযুক্তির অতীতকে সামলাচ্ছে এবং ভবিষ্যতের দিকেও এগোচ্ছে। তারাপুরের জায়গায় নতুন রিয়্যাক্টর বসানো যেত না? বিশেষজ্ঞদের মতে, অবশ্যই যেত। কিন্তু পুরনো রিয়্যাক্টরের নিরাপদ জীবন বাড়ানো মানে শুধু একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রকে আরও কয়েক বছর চালানো নয়। এর সঙ্গে যুক্ত থাকে বিপুল প্রকৌশল অভিজ্ঞতা, প্রশিক্ষিত কর্মী, বিদ্যমান পরিকাঠামো এবং বহু দশকের অপারেশনাল জ্ঞান। সেই কারণেই তারাপুরের ‘দ্বিতীয় জীবন’ গুরুত্বপূর্ণ।

আরও একটি কারণ রয়েছে। ভারত যখন পরমাণু বিদ্যুতের ক্ষমতা দ্রুত বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে, তখন পুরনো কেন্দ্রগুলিকে নিরাপদে আধুনিকীকরণ করে দীর্ঘদিন চালানোর দক্ষতাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। নতুন কেন্দ্র তৈরি করতে সময় লাগে; পুরনো কেন্দ্রের নিরাপদ জীবন বাড়ানো সেই সময়ের মধ্যে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের সুযোগ তৈরি করতে পারে। তবে এই পুরো প্রক্রিয়ার কেন্দ্রে একটাই শব্দ—নিরাপত্তা। পরমাণু শক্তিতে কোনও শর্টকাটের জায়গা নেই। তারাপুরের ক্ষেত্রেও তাই সংস্কার, পরীক্ষা, পরিদর্শন এবং নিয়ন্ত্রক অনুমোদনের পরেই পরবর্তী দশকের দরজা খুলেছে।
তারাপুরের কাহিনি তাই শুধুই ‘৫৭ বছরের পুরনো পরমাণু কেন্দ্র’ নয়। 

এটি এক দেশের প্রযুক্তিগত বিবর্তনের গল্প। ১৯৬৯-এ বিদেশি প্রযুক্তির সাহায্যে শুরু। দশকের পর দশক পরীক্ষা ও অভিজ্ঞতা। আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি-নিষেধের ধাক্কা। দেশীয় দক্ষতার উত্থান। তার পর পুরনো রিয়্যাক্টরের বড় ধরনের সংস্কার। এবং ২০২৬-এ আরও দশ বছরের অনুমোদন। পরমাণু বিদ্যুতের ইতিহাসে সময়ের এই দীর্ঘ পথ পেরিয়ে তারাপুর আজ যেন ভারতের সামনে একটি প্রশ্নও রেখে দিচ্ছে, পুরনোকে কি শুধু সরিয়ে ফেলতে হয়, নাকি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাহায্যে নিরাপদ হলে তাকে নতুন জীবনও দেওয়া যায়? তারাপুরের উত্তর আপাতত স্পষ্ট। বয়স ৫৭। কিন্তু অবসর নয়। সমুদ্রের ধারে সেই সবুজ ভবনগুলির ভিতরে এখনও চলছে পরমাণুর নিঃশব্দ কর্মযজ্ঞ।

43 Views 0 Likes 0 Comments

Related News

Earthquake:  দিল্লিতে ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্প, তীব্র কম্পনে কাঁপল দিল্লি-এনসিআর-সহ উত্তর ভারত
দেশ

Earthquake: দিল্লিতে ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্প, তীব্র কম্পনে কাঁপল দিল্লি-এনসিআর-সহ উত্...

নিউজ ডেস্ক: ঘড়ির কাটায় তখন প্রায় রাত দশটা। হঠাৎ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো রাজধানী। মঙ্গলবার রাতে দিল্লি-এনসিআর-সহ উত্তর ভারতের একাধিক এলাকায় তীব্র কম্পন অনুভূত হয়। জম্মু-কাশ্মীর, পঞ্জাব ও রাজস্থানেও কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে ...

০৬ অক্টো ২০২৬, ১০:৫১ পিএম · 2 মিনিট
Headmaster: ক্লাস চলাকালীন কার্পেট পেতে ঘুম প্রধান শিক্ষকের, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তোলপাড় রাজস্থান
দেশ

Headmaster: ক্লাস চলাকালীন কার্পেট পেতে ঘুম প্রধান শিক্ষকের, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তোল...

ঘটনাটি কারৌলি জেলার টোডাভীম ব্লকের একটি সরকারি বিদ্যালয়ের। ভাইরাল হওয়া একাধিক ভিডিও ক্লিপে দেখা গিয়েছে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক দিওদিরাম মিনাকে। ভিডিওতে স্পষ্ট, বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজ করার বদলে তিনি নিজের অফিস ঘরের মেঝেতেই কার্পেট পেতে টানটান হয়ে ঘুমোচ্ছেন।

০৬ অক্টো ২০২৬, ০৯:৫৫ পিএম · 2 মিনিট
Relationship: ১৫ বছরের রাখির সম্পর্ক ভেঙে প্রেম ও বিয়ে, জীবিত মেয়েরই শ্রাদ্ধ করলেন বাবা!
দেশ

Relationship: ১৫ বছরের রাখির সম্পর্ক ভেঙে প্রেম ও বিয়ে, জীবিত মেয়েরই শ্রাদ্ধ করলেন...

গ্রামেরই যুবক বছর বাইশের শাশ্বত গুপ্তার সঙ্গে দীর্ঘদিনের ওঠাবসা ছিল পাণ্ডে পরিবারের। তরুণী নন্দিনী পাণ্ডে ছোটবেলা থেকেই শাশ্বতকে নিজের দাদা বলেই পরিচয় দিতেন। নন্দিনীর মায়ের কথায়, প্রায় ১৫ বছর ধরে শাশ্বতের হাতে রাখি বেঁধেছেন নন্দিনী। প্রতিবেশীদের চোখেও তাঁদের সম্পর্কটা ছিল নিখাদ ভাই-বোনের। ফলে গত ২০ সেপ্টেম্বর দুজনে যখন হঠাৎ গ্রাম থেকে নিখোঁজ হন এবং পরে জানা যায় তাঁরা বিয়ে করেছেন, তখন যেন আকাশ ভেঙে পড়ে পরিবারের মাথায়। পরদিন ২১ সেপ্টেম্বর বিয়ের খবর নিশ্চিত হতেই ক্রোধ ও ক্ষোভে ফেটে পড়েন নন্দিনীর বাবা। মেয়ের সঙ্গে আজীবনের জন্য সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করতে তিনি গ্রামে আয়োজন করেন মেয়ের প্রতীকী অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া।

০৬ অক্টো ২০২৬, ০৮:০৮ পিএম · 2 মিনিট
DelhiPolice: দিল্লি পুলিশের নামে ভুয়ো এআই ছবি ও সিসিটিভি ফুটেজ ছড়ানোর অভিযোগ, হরিয়ানা থেকে পাকড়াও যুবক
দেশ

DelhiPolice: দিল্লি পুলিশের নামে ভুয়ো এআই ছবি ও সিসিটিভি ফুটেজ ছড়ানোর অভিযোগ, হরিয়...

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের মতো সামাজিক মাধ্যমে একটি তথাকথিত ‘সিসিটিভি ফুটেজ’ ভাইরাল হতে শুরু করে। সেখানে দাবি করা হয়, দিল্লির এক বিক্ষোভস্থলে এসিপি পদমর্যাদার এক সিনিয়র পুলিশ আধিকারিক প্রশ্ন করতে যাওয়া এক মহিলা সাংবাদিককে নিগ্রহ ও হেনস্থা করেছেন। বিষয়টি দ্রুত নজরে আসে নয়াদিল্লি জেলা পুলিশের সাইবার থানার।

০৬ অক্টো ২০২৬, ০৬:৩০ পিএম · 2 মিনিট

Top Comments (0)

No approved comments yet.