স্পোর্টস ডেস্ক: ৩১ একর জমির উপর ৪৫০ কোটি টাকায় বারাণসীর গঞ্জারীতে তৈরি হয়েছে নতুন ক্রিকেট স্টেডিয়াম। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে এই স্টেডিয়ামের শিল্যান্যাস করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ৩ বছর পর এই স্টেডিয়াম এখন পুরোপুরি তৈরি। অপেক্ষা শুধু উদ্বোধনী ম্যাচের।
বর্তমানে উত্তরপ্রদেশে দু’টি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম রয়েছে। একটি কানপুর। অপরটি লখনউ। বারাণসীর স্টেডিয়াম বিসিসিআই-এর অনুমতি পেলে তা হবে এই রাজ্যের তৃতীয় স্টেডিয়াম। জানা গিয়েছে, বোর্ডের তরফে পরের সপ্তাহেই একটি দল যাচ্ছে সেখানে। খতিয়ে দেখা হবে স্টেডিয়াম। অনুমতি মিললেই শুরু হবে ক্রিকেট ম্যাচ।
বিশেষ আকৃতির কারণে এই স্টেডিয়াম একদম আলাদা। স্টেডিয়াম জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে মহাদেবের বিভিন্ন চিহ্ন। এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে এই স্টেডিয়াম, যার ছাদ দূর থেকে দেখলে অর্ধচন্দ্রের মতো লাগে। রয়েছে ত্রিশূল আকৃতির ফ্লাডলাইট। মিডিয়া সেন্টার তৈরি হয়েছে শিবের ডমরুর আদলে। বারাণসী মহাদেবের স্থান। সেই কারণেই স্টেডিয়ামের এই বিশেষত্ব। স্টেডিয়ামে ৩০ হাজার দর্শক একসঙ্গে বসে খেলা দেখতে পারবেন। নিকাশি ব্যবস্থাও বেশ উন্নত। ভারী বৃষ্টি হলেও ৩০ মিনিটের মধ্যে মাঠ শুকিয়ে ফেলা যাবে।
আগামী দিনে বারাণসী ঘুরতে আসা পর্যটকদের কাছে এই স্টেডিয়ামও হবে এক বিশেষ দর্শনীয় স্থান। প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, কাশী বিশ্বনাথের শহরে ধর্মীয় আদলে তৈরি ওই ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বল গড়াতে পারে ২০২৬ সালের আগেই। সেক্ষেত্রে বিশ্বকাপের ম্যাচ পাওয়ার একটা সম্ভাবনাও ছিল। কিন্তু সেটা সম্ভব হয়নি। আগামী মরশুমে আইপিএল-এ বিভিন্ন দলের ম্যাচ এই স্টেডিয়ামে করা যেতে পারে। ভারতের আন্তর্জাতিক ম্যাচও হতে পারে এই স্টেডিয়ামে। তবে প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের আগে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের অনুমতি লাগবে। উত্তরপ্রদেশ ক্রিকেট সংস্থা চাইছে কিছু অনূর্ধ্ব-১৯ ম্যাচ শুরু করতে। তাতে পিচের চরিত্রও পরীক্ষা হয়ে যাবে।




