নিউজ ডেস্ক: আজ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে জন্মদিন। এ বছর ৬২ বছরে পা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জন্মদিনে তাঁকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, এস জয়শঙ্কর এবং রাজনাথ সিং। দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করা এবং মাওবাদী কার্যকলাপ দমনে অমিত শাহের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন তাঁরা। একইসঙ্গে শাহের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং দেশসেবায় আরও সাফল্য কামনা করেছেন তাঁরা।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শুভেচ্ছা জানিয়ে শাহের প্রশংসা করেন। অমিত শাহের নেতৃত্ব, কঠোর পরিশ্রম এবং দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় তাঁর অবদানের কথা তুলে ধরেছেন। বিশেষ করে মাওবাদ মোকাবিলায় সাফল্যের বিষয়টি উল্লেখ করে শাহের কাজের প্রশংসা করেছেন তিনি। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও জন্মদিনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। শুভেচ্ছে জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে বলেন, 'ভারতের যশস্বী স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী সম্মানীয় শ্রী অমিত শাহ জি আপনার শুভ জন্মদিনে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। মা দুর্গার কাছে আপনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।'
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের জন্মদিন উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। শুভেচ্ছাবার্তায় অমিত শাহের সাংগঠনিক দক্ষতা এবং দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করার ক্ষেত্রে তাঁর অবদানের কথা উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি সমবায় ক্ষেত্রের উন্নয়নেও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভূমিকার প্রশংসা করেন।
এদিকে, অমিত শাহকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু এবং রাজ্যের মন্ত্রী নারা লোকেশ। চন্দ্রবাবু নাইডু তাঁর বার্তায় দেশের নিরাপত্তা ও ঐক্য রক্ষায় শাহের নিষ্ঠা এবং নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। সেই সঙ্গে শাহরে সুস্বাস্থ্য এবং জাতির সেবায় আরও বহু বছর বেঁচে থাকা কামনা করছেন তিনি। অন্যদিকে, নারা লোকেশ বলেন, দেশের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা এবং ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে অমিত শাহের নিরলস প্রচেষ্টা বহু মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। অন্ধ্রপ্রদেশের মানুষের পাশে থাকার জন্যও তাঁকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
উল্লেখ্য, ১৯৬৪ সালের ২২ অক্টোবর মুম্বইয়ে জন্ম অমিত শাহের। ২০১৪ সালে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হন তিনি। ২০১৯ সালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, মাওবাদ দমন এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা জাতীয় রাজনীতিতে বিশেষভাবে আলোচিত। জন্মদিনে বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল থেকে আসা শুভেচ্ছাবার্তায় সেই অবদানের কথাই উঠে এসেছে।




