নীলাঞ্জন দাসগুপ্ত: উৎসবের শহরে মৃত্যুর মিছিল। মণ্ডপে মণ্ডপে আলোর রোশনাই, রাস্তায় মানুষের ঢল, ঢাকের আওয়াজ আর দেবী দর্শনের উন্মাদনা—তারই মধ্যে উত্তর কলকাতার চোরবাগানে ১৯টি প্রাণ ঝরে গেল। সপ্তমীর সন্ধ্যায় যে মানুষগুলি আনন্দের সন্ধানে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন, তাঁদের অনেকেই আর ফিরলেন না। আহত হলেন আরও অনেকে। এই মৃত্যুর জন্য শোকপ্রকাশ, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা কিংবা তদন্তের আশ্বাস জরুরি, কিন্তু যথেষ্ট নয়। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, এই বিপর্যয় কি সত্যিই এড়ানো যেত না? আর যদি যেত, তবে দায় কার?
প্রাথমিক ভাবে সামনে এসেছে একাধিক কারণ—প্রবল বৃষ্টি, বিপুল জনসমাগম, সরু প্রবেশ ও প্রস্থানের পথ এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণে সম্ভাব্য ঘাটতি। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষ বৃষ্টির মধ্যে দ্রুত মণ্ডপে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন। অন্য দিকে, ভিতরে থাকা দর্শনার্থীদের বেরিয়ে আসার পথেও চাপ তৈরি হয়। কোথাও ঘোষণা, কোথাও হুড়োহুড়ি, কোথাও আতঙ্ক—পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে উদ্যোক্তাদের ঘোষণার ভূমিকা খতিয়ে দেখার কথা বলেছেন।
তবে ঠিক কী ঘটেছিল, কোন সিদ্ধান্তে ভিড়ের চাপ বেড়েছিল এবং কোন পর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তা নির্ধারণ করতে হবে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে। কিন্তু প্রশ্ন শুধু শেষ মুহূর্তের কোনও ঘোষণা বা বৃষ্টির কারণে ভিড় বেড়ে যাওয়ার নয়। কলকাতার মতো জনবহুল শহরে দুর্গাপুজোর ভিড় কোনও অপ্রত্যাশিত ঘটনা নয়। জনপ্রিয় মণ্ডপে দর্শনার্থীদের ঢল নামবে, সপ্তাহান্তে ভিড় বাড়বে, বৃষ্টি হলে মানুষ আশ্রয় খুঁজবেন—এ সবই আগে থেকে অনুমান করা সম্ভব।
তাহলে সেই সম্ভাব্য বিপদের কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তার পরিকল্পনা কতটা করা হয়েছিল? ভিড়ের চাপ সামলানোর জন্য পর্যাপ্ত পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবক ছিলেন কি? প্রবেশ ও প্রস্থানের পথ আলাদা রাখা হয়েছিল কি? জরুরি পরিস্থিতিতে মানুষকে দ্রুত নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা ছিল কি? এই প্রশ্নগুলির উত্তর না পাওয়া পর্যন্ত দায় নির্ধারণ অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।
দায় কি শুধু উদ্যোক্তাদের?
পুজো কমিটির প্রথম দায়িত্ব দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। মণ্ডপের নকশা, প্রবেশ ও প্রস্থানের পথ, ভিড়ের সম্ভাব্য পরিমাণ এবং জরুরি নির্গমনের ব্যবস্থা—সব কিছু পরিকল্পনার সময়েই বিবেচনা করা দরকার। যে মণ্ডপে হাজার হাজার মানুষ আসবেন, সেখানে নিরাপত্তা কোনও আনুষ্ঠানিকতা হতে পারে না। থিম যত আকর্ষণীয়ই হোক, প্রচার যত ব্যাপকই হোক, মানুষের নিরাপদে প্রবেশ ও বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
চোরবাগানের ক্ষেত্রে মণ্ডপের বিন্যাস, সরু গলি এবং দর্শনার্থীদের চলাচলের পথ বিপদের মাত্রা বাড়িয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার। বৃষ্টির মধ্যে ভিড়ের চাপ বাড়লে কী করা হবে, প্রবেশ সাময়িক ভাবে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত কে নেবেন, ভিতরে থাকা দর্শনার্থীদের বেরোনোর সুযোগ কী ভাবে তৈরি হবে—এসব বিষয়ে আগাম পরিকল্পনা থাকা উচিত ছিল। যদি দেখা যায়, এই ঝুঁকিগুলি জানা সত্ত্বেও পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তবে উদ্যোক্তাদের দায় এড়ানোর সুযোগ নেই।
তবে কোনও পুজো কমিটির সদস্যকে আগেভাগেই অপরাধী বলে দাগিয়ে দেওয়াও ন্যায়সঙ্গত নয়। অভিযোগ আর প্রমাণ এক নয়। তদন্তে নির্ধারণ করতে হবে, কোন সিদ্ধান্ত কে নিয়েছিলেন, নিরাপত্তা সংক্রান্ত নির্দেশ মানা হয়েছিল কি না এবং কোনও নির্দিষ্ট গাফিলতির সঙ্গে মৃত্যুর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না। দায় নির্ধারণের ভিত্তি হতে হবে তথ্য ও প্রমাণ, রাজনৈতিক পরিচয় নয়।
পুলিশ ও প্রশাসন কি দায় এড়াতে পারে?
পুজোর ভিড় নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোন রাস্তায় কত মানুষ ঢুকবেন, কোথায় অপেক্ষার ব্যবস্থা থাকবে, কোন পথে দর্শনার্থীরা বেরিয়ে আসবেন এবং ভিড় বিপজ্জনক মাত্রায় পৌঁছলে কী ভাবে তা নিয়ন্ত্রণ করা হবে—এসব বিষয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের আগাম পরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন। বিশেষ করে যে মণ্ডপে বিপুল ভিড় হওয়ার সম্ভাবনা, সেখানে শুধু বাহিনী মোতায়েন করাই যথেষ্ট নয়; পরিস্থিতি বুঝে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যবস্থাও থাকতে হবে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, ঘটনাস্থলে পর্যাপ্ত পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবক ছিলেন না। প্রবেশ ও প্রস্থানের পথ নিয়ে বিভ্রান্তিও তৈরি হয়েছিল বলে দাবি তাঁদের। এই অভিযোগগুলি সত্য হলে তা গুরুতর। আবার পুলিশি বক্তব্য, মোতায়েনের নথি, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ এবং উদ্ধারকাজের সময়ক্রম খতিয়ে না দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোও ঠিক হবে না।
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, কর্তব্যে গাফিলতি প্রমাণিত হলে পুলিশকর্মীদেরও রেয়াত করা হবে না। এই আশ্বাস বাস্তব পদক্ষেপে পরিণত হওয়া জরুরি। তদন্তে যদি দেখা যায়, বিপদের আশঙ্কা থাকা সত্ত্বেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, অথবা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার দায়িত্বে থাকা কেউ কর্তব্যে অবহেলা করেছেন, তবে তাঁর পদমর্যাদা বা রাজনৈতিক যোগাযোগ বিচার না করেই ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রশাসনের বিশ্বাসযোগ্যতা নির্ভর করবে সেই নিরপেক্ষতার উপরেই।
রাজনৈতিক পালাবদল কি নিরাপত্তার প্রশ্নকে আড়াল করবে?
চোরবাগানের পুজোকে ঘিরে এ বার আর একটি বিষয় আলোচনায় এসেছে—রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর পুজো কমিটির পরিচালনায় বদল। পুরনো কমিটির পরিবর্তে নতুন কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা, রাজনৈতিক নেতাদের যুক্ত হওয়া এবং পুজোর পরিচালনা নিয়ে চাপানউতোর—সব মিলিয়ে চোরবাগান এ বার শুধু একটি দুর্গোৎসবের নাম ছিল না, স্থানীয় রাজনৈতিক পালাবদলেরও অংশ হয়ে উঠেছিল। এই প্রেক্ষাপট তদন্তের বাইরে থাকবে, এমন নয়। কমিটির পরিবর্তনের ফলে অভিজ্ঞতা, দায়িত্ব বণ্টন বা নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় কোনও প্রভাব পড়েছিল কি না, তা প্রাসঙ্গিক হলে খতিয়ে দেখা উচিত। কিন্তু রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে বলেই দুর্ঘটনার জন্য নতুন কমিটিকে দায়ী করা যাবে না। একই ভাবে, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কাউকে তদন্তের বাইরে রাখাও চলবে না। ক্ষমতার রং বদলাতে পারে, কিন্তু জননিরাপত্তার দায় বদলায় না।
এই বিপর্যয়কে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করলে মৃতদের প্রতি সুবিচার হবে না। আবার রাজনৈতিক বিতর্কের আশঙ্কায় কমিটির ভূমিকা খতিয়ে দেখতে পিছিয়ে গেলেও সুবিচার হবে না। প্রয়োজন তথ্যনির্ভর তদন্ত, যেখানে পুজো কমিটি, পুলিশ, প্রশাসন এবং নিরাপত্তার কাজে যুক্ত বেসরকারি সংস্থার ভূমিকা- সবই সমান গুরুত্বে পরীক্ষা করা জরুরি ।
ক্ষতিপূরণ জরুরি, কিন্তু তা কি যথেষ্ট?
মুখ্যমন্ত্রী নিহতদের পরিবারপিছু ২৫ লক্ষ টাকা এবং পরিবারের এক সদস্যকে সরকারি চাকরি দেওয়ার ঘোষণা করেছেন। আহতদের চিকিৎসার খরচ বহনের পাশাপাশি আর্থিক সাহায্যের কথাও জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীও নিহতদের পরিবার ও আহতদের জন্য আর্থিক সহায়তা ঘোষণা করেছেন। এই বিপর্যয়ে যাঁরা প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের পাশে দাঁড়ানো রাষ্ট্রের কর্তব্য। আহতদের দ্রুত ও যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করাও এখন অগ্রাধিকার।
কিন্তু ক্ষতিপূরণ কোনও প্রাণের বিকল্প নয়। যে পরিবারে উপার্জনক্ষম সদস্য চলে গিয়েছেন, যে সন্তানের মাথার উপর থেকে অভিভাবকের ছায়া সরে গিয়েছে, যে মানুষটি স্বজনকে হারিয়ে ফিরেছেন—তাঁদের কাছে আর্থিক সাহায্য সাময়িক অবলম্বন হতে পারে, হারানো জীবন ফিরিয়ে দিতে পারে না। তাই ক্ষতিপূরণের ঘোষণার পাশাপাশি দুর্ঘটনার কারণ নির্ধারণ এবং ভবিষ্যতে এমন বিপর্যয় ঠেকানোর ব্যবস্থা অপরিহার্য।
মুখ্যমন্ত্রী বিচারপতির নেতৃত্বে বিশেষ অনুসন্ধান দল বা সিট গঠনের কথা বলেছেন। সেই তদন্তের পরিধি স্পষ্ট হওয়া দরকার। শুধু কে শেষ মুহূর্তে কী ঘোষণা করেছিলেন, তা নয়; মণ্ডপের নকশা ও নিরাপত্তার অনুমোদন, ভিড়ের সম্ভাব্য হিসাব, পুলিশ মোতায়েন, জরুরি নির্গমন, চিকিৎসা পরিষেবা এবং বিপর্যয়ের মুহূর্তে নেওয়া সিদ্ধান্ত—সব দিক খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান, দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট নথি মিলিয়ে ঘটনাক্রম পুনর্গঠন করতে হবে। তদন্তের ফলও এমন ভাবে প্রকাশ করা দরকার, যাতে মানুষ বুঝতে পারেন, কী ঘটেছিল এবং কেন ঘটেছিল।
প্রতি বছর একই সতর্কতা, তবু শিক্ষা নেওয়া হয় না কেন?
দুর্গাপুজোয় ভিড় নিয়ন্ত্রণের সমস্যা নতুন নয়। বড় মণ্ডপে দীর্ঘ লাইন, সরু রাস্তা, যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং দর্শনার্থীদের ঠেলাঠেলি—এসব দৃশ্য কলকাতার পুজোয় বহুবার দেখা গিয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বড় দুর্ঘটনা ঘটে না বলেই হয়তো নিরাপত্তার ঘাটতি নিয়ে গভীরভাবে ভাবার তাগিদ কমে যায়। কিন্তু বিপর্যয় ঘটলে বোঝা যায়, সামান্য ভুল বা একটি ভুল সিদ্ধান্তও কত দ্রুত প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। তাই শুধু চোরবাগানের মণ্ডপে তদন্ত করে থেমে থাকলে চলবে না। শহর ও রাজ্যের বড় পুজোগুলির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নতুন করে পর্যালোচনা করা দরকার। ভিড়ের চাপ অনুযায়ী দর্শনার্থী প্রবেশের সীমা নির্ধারণ, পৃথক প্রবেশ ও প্রস্থানের পথ, স্পষ্ট নির্দেশিকা, পর্যাপ্ত আলো, জরুরি চিকিৎসা ও অ্যাম্বুল্যান্স, প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক এবং দ্রুত ভিড় সরানোর পরিকল্পনা বাধ্যতামূলক করা উচিত। বৃষ্টি বা অন্য আকস্মিক পরিস্থিতিতে কী ভাবে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হবে, তারও মহড়া থাকা দরকার। কাগজে নিরাপত্তা পরিকল্পনা জমা দেওয়া আর বাস্তবে তা কার্যকর রাখা এক বিষয় নয়—প্রশাসনকে সেই ফারাক বুঝতে হবে।
সবচেয়ে বড় কথা, কোনও মণ্ডপের জনপ্রিয়তা বা পুরস্কার পাওয়া নিরাপত্তার নিশ্চয়তা নয়। বরং যে পুজোয় দর্শনার্থীর ঢল বেশি, সেখানে দায়িত্বও বেশি। আয়োজকদের যেমন প্রস্তুত থাকতে হবে, তেমনই প্রশাসনকে নিশ্চিত করতে হবে যে নিরাপত্তার নিয়ম মানা হচ্ছে। দুর্ঘটনার পরে দোষারোপের চেয়ে দুর্ঘটনার আগে বিপদ ঠেকানোই রাষ্ট্র ও সমাজের প্রকৃত সাফল্য।
চোরবাগানের মৃত্যুমিছিল তাই একটি পুজো কমিটির ব্যর্থতা ছিল কি না, সেই প্রশ্নে আটকে থাকতে পারে না। এটি উদ্যোক্তা, পুলিশ, প্রশাসন এবং জনসমাগমের নিরাপত্তা পরিকল্পনার সম্মিলিত অগ্নিপরীক্ষা। তদন্তে যার যতটা দায় প্রমাণিত হবে, তার ততটাই জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
রাজনৈতিক পরিচয়, পদমর্যাদা কিংবা প্রভাব যেন বিচারের পথে বাধা না হয়। দেবী দুর্গার আরাধনায় আমরা অশুভ শক্তির বিনাশ কামনা করি। অথচ উৎসবের ভিড়ে যদি মানুষের নিরাপত্তাই নিশ্চিত না হয়, তবে সেই উদ্যাপনের অর্থ কোথায়? চোরবাগানের মৃতদের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা শুধু শোকপ্রকাশে নয়, শুধু ক্ষতিপূরণেও নয়। প্রকৃত শ্রদ্ধা হবে সত্য উদ্ঘাটনে, দায় নির্ধারণে এবং এমন ব্যবস্থা গড়ে তোলায়, যাতে পরের পুজোয় আর কোনও পরিবারকে উৎসবের সন্ধ্যায় প্রিয়জনের মৃতদেহ খুঁজতে না হয়। প্রশ্নটি তাই সরল, দায় কার? উত্তরও স্পষ্ট হতে হবে: তদন্তে যে-ই দোষী প্রমাণিত হোন, তাঁকেই জবাবদিহি করতে হবে।




