JAZZBAAT 24 BANGLA
১৭ অক্টো ২০২৬, ০৫:৩৩ পিএম
Breaking
Weather: সপ্তমীতেও বৃষ্টির ভ্রুকুটি, তবে কি ছাতা হাতে বেরোতে হবে ঠাকুর দেখতে? Dilip Mondal : গাঁজা কারবারে সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ, তদন্তের মুখে দিলীপ মণ্ডল Dhruv Rathi : লন্ডনে ধ্রুব রাঠীর প্রতিবাদের ডাক, নজরে প্রবাসী ভারতীয়রা Lionel Messi: মেসির নামে নতুন ফুলের নামকরণ, নীল-সাদা পাপড়িতে ফুটে উঠল আর্জেন্টিনার জার্সি... Real Madrid: গোয়েবলসের সঙ্গে তুলনা, লা লিগা প্রেসিডেন্ট তেবাসের পদত্যাগ দাবি রিয়াল মাদ্রিদ... NASA: মঙ্গলের মাটিতে ইতিহাস গড়ল নাসার রোভার! খুঁজছে প্রাণের প্রাচীন চিহ্ন Voter List: ভোটার তালিকার ডিজিটাল সংস্করণ! বিরোধীদের দাবিতে কেন সায় দিতে হল কমিশনকে? UndercoverPolice: চানিয়া চোলির আড়ালে পুলিশের নজরদারি, পরিচয় ফাঁসেও নিশ্চিন্ত ‘আন্ডারকভা... Weather: সপ্তমীতেও বৃষ্টির ভ্রুকুটি, তবে কি ছাতা হাতে বেরোতে হবে ঠাকুর দেখতে? Dilip Mondal : গাঁজা কারবারে সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ, তদন্তের মুখে দিলীপ মণ্ডল Dhruv Rathi : লন্ডনে ধ্রুব রাঠীর প্রতিবাদের ডাক, নজরে প্রবাসী ভারতীয়রা Lionel Messi: মেসির নামে নতুন ফুলের নামকরণ, নীল-সাদা পাপড়িতে ফুটে উঠল আর্জেন্টিনার জার্সি... Real Madrid: গোয়েবলসের সঙ্গে তুলনা, লা লিগা প্রেসিডেন্ট তেবাসের পদত্যাগ দাবি রিয়াল মাদ্রিদ... NASA: মঙ্গলের মাটিতে ইতিহাস গড়ল নাসার রোভার! খুঁজছে প্রাণের প্রাচীন চিহ্ন Voter List: ভোটার তালিকার ডিজিটাল সংস্করণ! বিরোধীদের দাবিতে কেন সায় দিতে হল কমিশনকে? UndercoverPolice: চানিয়া চোলির আড়ালে পুলিশের নজরদারি, পরিচয় ফাঁসেও নিশ্চিন্ত ‘আন্ডারকভা...

NASA: মঙ্গলের মাটিতে ইতিহাস গড়ল নাসার রোভার! খুঁজছে প্রাণের প্রাচীন চিহ্ন

NASA: মঙ্গলের মাটিতে ইতিহাস গড়ল নাসার রোভার! খুঁজছে প্রাণের প্রাচীন চিহ্ন
ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক: পৃথিবী থেকে কোটি কোটি কিলোমিটার দূরে লাল গ্রহের রুক্ষ মাটিতে নতুন ইতিহাস লিখল নাসার রোবটযান ‘পারসিভের্যান্স’। অন্য কোনও গ্রহের পৃষ্ঠে কোনও যান যতটা পথ অতিক্রম করেছে, সেই রেকর্ড ভেঙে দিল ছয় চাকার এই রোভার। গত ১১ অক্টোবর পর্যন্ত মঙ্গলের বুকে তার চলার মোট দূরত্ব দাঁড়িয়েছে ৪৫.২২ কিলোমিটার। এত দিন এই রেকর্ড ছিল নাসারই আর এক রোবটযান ‘অপরচুনিটি’র দখলে। ২০০৪ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে মঙ্গলে মোট ৪৫.১৬ কিলোমিটার পথ পেরিয়েছিল সেটি। 

পারসিভের্যান্স সেই দূরত্ব অতিক্রম করল মাত্র সাড়ে পাঁচ বছরে। আর এই সাফল্যের পিছনে রয়েছে শুধু তার শক্তিশালী যন্ত্রপাতি নয়, প্রতিকূল ভূখণ্ড চিনে নিজেই পথ বেছে নেওয়ার অত্যাধুনিক প্রযুক্তিও। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে মঙ্গলের জেজেরো গহ্বরে অবতরণ করেছিল পারসিভের্যান্স। তার মূল লক্ষ্য, লাল গ্রহে অতীতে প্রাণের অস্তিত্ব ছিল কি না, তার সম্ভাব্য প্রমাণ খুঁজে বের করা। সেই সঙ্গে মঙ্গলের মাটি ও পাথরের নমুনা সংগ্রহ করে গ্রহটির প্রাচীন পরিবেশ সম্পর্কে তথ্য জোগাড় করা। এত দিন ধরে একের পর এক দুর্গম এলাকা পেরিয়ে সেই কাজই করে চলেছে রোভারটি। এ বার তার অভিযানে যুক্ত হল নতুন রেকর্ড।

অপরচুনিটিকে টপকে নতুন মাইলফলক

নাসার হিসাব অনুযায়ী, মঙ্গলে পারসিভের্যান্সের যাত্রার ২০০৬তম নয়, ২০০৬ নয়, ২,০০৬তম মঙ্গলদিবসে এই রেকর্ড গড়ে ওঠে। মঙ্গলের একটি দিনকে বলা হয় ‘সল’। পৃথিবীর দিনের তুলনায় তা সামান্য দীর্ঘ। ওই দিনই রোভারটি ৯১.৩১ মিটার পথ অতিক্রম করে মোট দূরত্বে অপরচুনিটিকে ছাপিয়ে যায়। অপরচুনিটি ২০০৪ সালে মঙ্গলে পৌঁছেছিল। প্রাথমিক ভাবে তার অভিযান মাত্র ৯০ মঙ্গলদিবস চলার কথা ছিল। কিন্তু পরিকল্পনার অনেক বাইরে গিয়ে প্রায় ১৫ বছর ধরে কাজ করে সেটি। 

২০১৫ সালে মঙ্গলের বুকে প্রথম কোনও যান হিসেবে ম্যারাথনের সমান দূরত্ব অতিক্রম করার নজিরও গড়েছিল অপরচুনিটি। ২০১৮ সালে মঙ্গলে প্রবল ধূলিঝড়ের পর তার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত সেই অভিযান থেমে গেলেও তার গড়ে দেওয়া দূরত্বের রেকর্ড অক্ষত ছিল দীর্ঘদিন। পারসিভের্যান্স সেই নজির ভেঙেছে প্রায় সাড়ে পাঁচ বছরের মধ্যেই। তবে এই সাফল্যের অর্থ শুধু বেশি দূরত্ব পেরোনো নয়। আরও দ্রুত নতুন ভূখণ্ডে পৌঁছে পাথর পরীক্ষা করা, অতীতের পরিবেশ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা এবং সম্ভাব্য প্রাণের চিহ্ন খোঁজার সুযোগও বাড়ছে।

নিজেই রাস্তা চিনে নেয় রোভার

পারসিভের্যান্সের এই সাফল্যের অন্যতম কারণ ‘অটো ন্যাভ’ বা স্বয়ংক্রিয় পথনির্দেশ ব্যবস্থা। পৃথিবীতে চালকবিহীন গাড়ি যেমন ক্যামেরা ও কম্পিউটারের সাহায্যে রাস্তার বাধা চিনে পথ ঠিক করে, পারসিভের্যান্সও অনেকটা সেই পদ্ধতিতে চলে। তবে মঙ্গলের মাটিতে রাস্তা বলতে পাকা পথ নেই। রয়েছে পাথর, বালির ঢিবি, গর্ত, অসমান জমি এবং নানা ধরনের প্রাকৃতিক বাধা। রোভারটি চলার সময় নিজের ক্যামেরায় সামনের ভূখণ্ডের ছবি তোলে। তার পর সেই ছবি থেকে ত্রিমাত্রিক মানচিত্র তৈরি করে সম্ভাব্য বিপজ্জনক জায়গাগুলি চিহ্নিত করে। পৃথিবীতে বসে নাসার বিজ্ঞানীরা যাত্রার কয়েকটি নির্দিষ্ট গন্তব্য ঠিক করে দেন। সেই গন্তব্যগুলির মধ্যে কী ভাবে পৌঁছতে হবে, তা পথের পরিস্থিতি দেখে অনেকটাই নিজেই নির্ধারণ করতে পারে রোভারটি।

মঙ্গলে পৃথিবী থেকে নির্দেশ পাঠিয়ে প্রতিটি মুহূর্তে রোভার চালানো সম্ভব নয়। দুই গ্রহের মধ্যে বিপুল দূরত্বের কারণে সংকেত পৌঁছতে সময় লাগে। তাই প্রতিটি ছোট বাধা দেখেই পৃথিবী থেকে নির্দেশ আসার অপেক্ষা করলে অভিযান অত্যন্ত ধীর হয়ে পড়ত। অটো ন্যাভ সেই সমস্যার সমাধান করেছে। নাসার তথ্য অনুযায়ী, পারসিভের্যান্স এক মঙ্গলদিবসে সর্বোচ্চ প্রায় ৪১২ মিটার পর্যন্ত পথ পেরোতে পারে। তার মোট চলার দূরত্বের ৯০ শতাংশেরও বেশি ক্ষেত্রে এই স্বয়ংক্রিয় নেভিগেশন ব্যবস্থা ভূখণ্ড মূল্যায়নে সাহায্য করেছে। তুলনায়, অপরচুনিটি ও তার যমজ রোভার স্পিরিটের প্রাথমিক স্বয়ংক্রিয় নেভিগেশন ব্যবস্থা মোট যাত্রার প্রায় ৫ শতাংশে ব্যবহৃত হয়েছিল। প্রযুক্তির অগ্রগতি কতটা হয়েছে, তার আর একটি উদাহরণও রয়েছে। নাসার প্রথম মঙ্গল রোভার ‘সোজার্নার’ সামনের পথ বিচার করার সময় ২০টি পরিমাপের বিন্দু ব্যবহার করত। পারসিভের্যান্স প্রতিবার ভূখণ্ড বিশ্লেষণের সময় প্রায় ৬ লক্ষ পরিমাপের বিন্দু প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে। ফলে বাধা এড়িয়ে পথ বেছে নেওয়ার ক্ষমতা অনেকটাই বেড়েছে।

প্রাচীন হ্রদের তলদেশ থেকে অজানা ভূখণ্ডে

বর্তমানে পারসিভের্যান্স রয়েছে জেজেরো গহ্বরের পশ্চিম প্রান্তের কাছে ‘ল্যাক দ্য শার্ম’ নামে পরিচিত অঞ্চলে। সেখান থেকে ‘ইদুবি’ নামে একটি এলাকার দিকে এগোচ্ছে রোভারটি। বিজ্ঞানীদের ধারণা, এই অঞ্চলের পাথর ও ভূপ্রকৃতি মঙ্গলের প্রাচীন ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ সূত্র দিতে পারে। জেজেরো গহ্বরকে গবেষণার জন্য বেছে নেওয়ার পিছনে বড় কারণ রয়েছে। বহু কোটি বছর আগে সেখানে একটি হ্রদ ছিল বলে মনে করেন বিজ্ঞানীরা। হ্রদে জল থাকলে তার সঙ্গে নদী, পলি এবং বিভিন্ন রাসায়নিক প্রক্রিয়ার সম্পর্ক তৈরি হয়। পৃথিবীতে বহু ক্ষেত্রে জল ও পাথরের দীর্ঘস্থায়ী মিথস্ক্রিয়া অণুজীবের বসবাসের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করেছে। তাই মঙ্গলের প্রাচীন হ্রদ ও নদীর চিহ্ন খুঁজে দেখা বিজ্ঞানীদের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

ল্যাক দ্য শার্ম অঞ্চলের পাথর এতটাই প্রাচীন যে পৃথিবীতে একই সময়ের ভূতাত্ত্বিক নিদর্শনের অনেক কিছুই ক্ষয়, ভূমির পরিবর্তন এবং পাত-সংক্রান্ত ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ায় মুছে গিয়েছে। মঙ্গলে পৃথিবীর মতো পাত-টেকটনিক্স নেই। ফলে সেখানে প্রাচীন ভূপ্রকৃতির কিছু চিহ্ন দীর্ঘকাল ধরে সংরক্ষিত থাকতে পারে। ইদুবি অঞ্চলে প্রাচীন হাইড্রোথার্মাল ব্যবস্থার চিহ্ন খুঁজতে চান বিজ্ঞানীরা। হাইড্রোথার্মাল ব্যবস্থা বলতে বোঝায়, যেখানে উত্তপ্ত জল বা অন্য তরল পদার্থ পাথরের সঙ্গে বিক্রিয়া করে বিভিন্ন খনিজ ও রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটায়। পৃথিবীতে এ ধরনের পরিবেশে অণুজীবের অস্তিত্ব দেখা যায়। মঙ্গলেও অতীতে এমন পরিবেশ ছিল কি না, তা জানা গেলে গ্রহটির বাসযোগ্যতার ইতিহাস সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে।
প্রাণের চিহ্নের খোঁজ, তবে এখনও নিশ্চিত প্রমাণ নয়

পারসিভের্যান্সের কাজ শুধু মঙ্গলের মাটিতে দূরত্বের রেকর্ড গড়া নয়। গ্রহটিতে অতীতে অণুজীবের অস্তিত্ব ছিল কি না, সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজাও তার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এখনও পর্যন্ত মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্বের নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে কিছু পাথর ও খনিজের বৈশিষ্ট্য বিজ্ঞানীদের আগ্রহ বাড়িয়েছে। নাসার তথ্য অনুযায়ী, পারসিভের্যান্স ইতিমধ্যে ২৯টি পাথর ও মাটির নমুনা সংগ্রহ করেছে। এই নমুনাগুলির মধ্যে রয়েছে প্রাচীন হ্রদের তলদেশ, এক সময়ের নদীবাহিত পলির অঞ্চল এবং গহ্বরের প্রান্তবর্তী এলাকার উপাদান। বিভিন্ন ভূতাত্ত্বিক পরিবেশ থেকে নমুনা সংগ্রহের ফলে মঙ্গলের অতীত সম্পর্কে আরও বিস্তৃত ধারণা পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর আগে ‘চেয়াভা ফলস’ নামে পরিচিত একটি পাথরে সম্ভাব্য জৈবিক চিহ্নের সন্ধান পেয়েছিল রোভারটি। তবে কোনও পাথরে জৈব অণু বা সম্ভাব্য জৈবিক চিহ্ন পাওয়া মানেই সেখানে প্রাণ ছিল, এমন নয়। প্রাণের উপস্থিতি ছাড়াও বিভিন্ন রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় এ ধরনের বৈশিষ্ট্য তৈরি হতে পারে। তাই নমুনাগুলির আরও বিশদ বিশ্লেষণ প্রয়োজন।

২০২৮ সাল পর্যন্ত চলবে অভিযান

পারসিভের্যান্সের বর্তমান অভিযান আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অনুমোদন দিয়েছে নাসা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৮ সালের শেষের দিক পর্যন্ত জেজেরো গহ্বরের প্রান্তবর্তী এলাকায় অনুসন্ধান চালিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। রোভারটির চলাচলের ব্যবস্থা এখনও কার্যকর রয়েছে এবং দীর্ঘমেয়াদি পরীক্ষার ফলও আশাব্যঞ্জক বলে জানিয়েছে নাসা।
পরবর্তী পর্যায়ে গহ্বরের দক্ষিণ দিকে ‘রেনবো ফলস’ নামে পরিচিত একটি এলাকার দিকে এগোতে পারে পারসিভের্যান্স। সেখানে প্রায় ১০০ মিটার চওড়া প্রাচীন ভূত্বকের একটি অংশ রয়েছে, যা জেজেরো গহ্বর তৈরি করা বিশাল সংঘর্ষের ফলে উপরে উঠে এসেছিল বলে মনে করা হয়। এই ধরনের পাথর পরীক্ষা করে মঙ্গলের আরও প্রাচীন ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস সম্পর্কে জানা সম্ভব হতে পারে।

পারসিভের্যান্সের রেকর্ড তাই শুধু প্রযুক্তির সাফল্য নয়, বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানেরও নতুন সুযোগ। যত বেশি দূরত্ব পেরোবে রোভারটি, তত বেশি বৈচিত্র্যময় ভূখণ্ডে পৌঁছতে পারবে। সেখানে পাথর পরীক্ষা করে মঙ্গলের অতীত জলবায়ু, জলপ্রবাহ এবং সম্ভাব্য বাসযোগ্য পরিবেশ সম্পর্কে আরও তথ্য সংগ্রহ করা যাবে। লাল গ্রহে একের পর এক বাধা পেরিয়ে চলেছে পারসিভের্যান্স। তার ছয় চাকার যাত্রা আপাতদৃষ্টিতে ধীর, কিন্তু প্রতিটি নতুন পথ খুলে দিচ্ছে মঙ্গলের অজানা ইতিহাসের আর একটি অধ্যায়। দূরত্বের বিশ্বরেকর্ড সেই দীর্ঘ অভিযানের একটি মাইলফলক মাত্র—বিজ্ঞানীদের কাছে সবচেয়ে বড় সাফল্য হবে, যদি এক দিন এই অনুসন্ধানই জানাতে পারে, পৃথিবীর বাইরে অন্য কোনও গ্রহেও কি কখনও প্রাণের অস্তিত্ব ছিল?

2 Views 0 Likes 0 Comments

Related News

মাকড়সা তাড়াতে জ্বালালেন কাগজ, মুহূর্তে ভস্ম ১ কোটি টাকার ভিলা!
জানা-অজানা

মাকড়সা তাড়াতে জ্বালালেন কাগজ, মুহূর্তে ভস্ম ১ কোটি টাকার ভিলা!

ইন্দোনেশিয়া: বাথরুমে মাকড়সার জাল দেখে ভয় পেয়েছিলেন। সেটিকে তাড়াতে সামান্য কাগজে আগুন ধরিয়েছিলেন এক পর্যটক। কিন্তু সেই আগুনই যে কয়েক মিনিটের মধ্যে তাঁর ছুটির আস্তানা পুড়িয়ে ছাই করে দেবে, তা বোধহয় দুঃস্বপ্নেও ভাবেননি তি...

১৬ অক্টো ২০২৬, ১২:২৪ পিএম · 3 মিনিট
Antarctica: ১৯৭৭-এ বরফের বিশাল টুকরো পৌঁছেছিল আমেরিকার আইওয়ায়, শেষ পর্যন্ত কেন ভেস্তে গেল স্বপ্ন?
জানা-অজানা

Antarctica: ১৯৭৭-এ বরফের বিশাল টুকরো পৌঁছেছিল আমেরিকার আইওয়ায়, শেষ পর্যন্ত কেন ভেস...

নিউজ ডেস্ক: এক দিকে বিস্তীর্ণ মরুভূমি, অন্য দিকে জলের অফুরন্ত ভাণ্ডার। মাঝখানে কয়েক হাজার কিলোমিটার উত্তপ্ত সমুদ্র। সেই সমুদ্র পেরিয়েই কি বরফের পাহাড় টেনে এনে মেটানো সম্ভব তৃষ্ণার্ত দেশের জলের চাহিদা? প্রায় পাঁচ দশক আগে...

১৫ অক্টো ২০২৬, ১১:৪২ এএম · 6 মিনিট
Francis Halzen: চাকরির সিভি কয়েক পাতার, নোবেলজয়ী বিজ্ঞানীর সিভি যেন গবেষণার মহাকাব্য!
জানা-অজানা

Francis Halzen: চাকরির সিভি কয়েক পাতার, নোবেলজয়ী বিজ্ঞানীর সিভি যেন গবেষণার মহাক...

নিউজ ডেস্ক: যেকোনও সাধারণ চাকরিতে যোগ দেওয়ার জন্য প্রয়োজন হয় একটি সিভি (CV)। সেই সিভি সাধারণত এক থেকে দু’পাতার হয়। কর্মজীবন দীর্ঘ হলে কখনও কখনও তা কয়েক পৃষ্ঠারও হতে পারে। ২০২৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারে সম্...

১৪ অক্টো ২০২৬, ০৯:৩৩ পিএম · 3 মিনিট
Meghalaya Tourism: মেঘালয়ের এই গ্রামে প্রত্যেকের নাম এক-একটি গান, রইল পৌঁছনোর ঠিকানাও
জানা-অজানা

Meghalaya Tourism: মেঘালয়ের এই গ্রামে প্রত্যেকের নাম এক-একটি গান, রইল পৌঁছনোর ঠিকা...

মেঘালয়: কেউ ডাকছেন পাখির মতো শিস দিয়ে, কেউ আবার সুর তুলে সাড়া দিচ্ছেন দূরের বাড়ি থেকে। পাহাড়ি উপত্যকায় ভেসে বেড়াচ্ছে একের পর এক মিষ্টি সুর। শুনলে মনে হবে, যেন প্রকৃতির সঙ্গে কথা বলছে গোটা গ্রাম। অথচ এ কোনও লোকসঙ্গীত...

১৪ অক্টো ২০২৬, ০৭:৪৫ পিএম · 4 মিনিট

Top Comments (0)

No approved comments yet.