নিউজ ডেস্ক: আশ্বিনের মাঝামাঝি বর্ষা বিদায়ের ঘণ্টা বাজলেও এখনই পুরোপুরি স্বস্তি মিলছে না বঙ্গে। বাতাসে অতিরিক্ত জলীয় বাষ্পের উপস্থিতির কারণে আজও দিনভর বজায় থাকবে ভ্যাপসা গরম ও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দিনের প্রথম ভাগে কড়া রোদ থাকলেও দুপুরের পর থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটবে এবং দক্ষিণ ও উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এই দিন শহর কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে ঘোরাফেরা করতে পারে এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে প্রায় ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯০ শতাংশ ছুঁতে পারে, যার ফলে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তাপে ঘর্মাক্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে।
আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, স্থানীয়ভাবে বজ্রগর্ভ মেঘ সঞ্চারিত হয়ে বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গের কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই চব্বিশ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামের কিছু অংশে বিকেল বা সন্ধ্যার দিকে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং দুই বর্ধমানেও ক্ষণস্থায়ী এক-দু'পশলা বৃষ্টির সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং ও জলপাইগুড়ির পার্বত্য অঞ্চলেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে, তবে রাজ্যের কোথাও একটানা ভারী দুর্যোগের কোনো সতর্কতা নেই।
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, বর্ষা পুরোপুরি পাততাড়ি গোটানোর আগে এই ধরনের ভ্যাপসা গরম ও ক্ষণিকের বজ্রগর্ভ বৃষ্টি স্বাভাবিক ঘটনা। বাইরে বেরোনোর সময় চড়া রোদ এড়াতে পর্যাপ্ত জল পানের পাশাপাশি হঠাৎ বৃষ্টি সামাল দিতে ছাতা সঙ্গে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।