News Desk: দুর্গাপুজো শেষ, কিন্তু বাঙালির উৎসবের আমেজ কি এত সহজে শেষ হয়? বিজয়া দশমী মানেই প্রণাম, শুভেচ্ছা বিনিময় আর মিষ্টিমুখ। বাড়িতে বাড়িতে সন্দেশ, রসগোল্লা, নিমকি কিংবা নাড়ুর আয়োজন থাকে। তবে বদলাচ্ছে খাবারের ধরনও। চেনা বাঙালি স্বাদের সঙ্গে আধুনিক রান্নার মেলবন্ধনে তৈরি হচ্ছে নানা ধরনের ফিউশন স্ন্যাক্স।
প্রথমেই আসা যাক সন্দেশের নতুনত্বে। সাধারণ মিষ্টির সঙ্গে বিভিন্ন ফলের স্বাদ কিংবা নতুন ধরনের সাজসজ্জা যোগ করে তৈরি করা যায় আকর্ষণীয় ডেজার্ট। তবে স্বাদ ও মান বজায় রাখতে উপকরণের পরিমাণে নজর দেওয়া জরুরি।
দ্বিতীয়ত, মিষ্টি দিয়ে নতুন ডেজার্ট। রসগোল্লা বা অন্য কোনও মিষ্টির সঙ্গে দই, ফল কিংবা বাদামের সাথে তৈরি হতে পারে নতুন ধরনের পরিবেশন। তবে মিষ্টিতে অতিরিক্ত চিনি যোগ না করাই ভালো।
তৃতীয়ত, নিমকি ও চাটের ফিউশন। পরিচিত নিমকির সঙ্গে দই, সেদ্ধ ছোলা, শসা ও ধনেপাতার মতো উপকরণ মিশিয়ে বানানো যেতে পারে মজাদার স্ন্যাক্স। স্বাদের সঙ্গে পুষ্টির মেলবন্ধন রাখতে ভাজাভুজি ও অতিরিক্ত নুনের ব্যবহার কমানো যায়।
চতুর্থত, বাঙালি খাবারে আধুনিক ছোঁয়া। লুচি-আলুরদমের ছোট পরিবেশন, ছানার কাবাব কিংবা বিভিন্ন সবজি দিয়ে তৈরি মুখরোচক পদ অতিথি আপ্যায়নে আনতে পারে এক নতুন মাত্রা।
তবে ফিউশন খাবার মানেই যে বেশি দামি বা জটিল উপকরণ লাগবে, তা নয়। বাড়িতে থাকা সাধারণ উপকরণ দিয়েও নতুন স্বাদের পদ তৈরি করা সম্ভব। খাবারের পরিচ্ছন্নতা, উপকরণের সতেজতা এবং সঠিক সংরক্ষণের দিকেও নজর রাখুন।
উৎসবের খাবারেও আসুক নতুনের ছোঁয়া। বাঙালির স্বাদ আর আধুনিক পরিবেশনের সাথেই জমে উঠুক বিজয়ার মিষ্টিমুখ।




