নিউজ ডেস্ক: দিল্লি মেট্রো যাত্রীদের জন্য বড় স্বস্তির খবর। দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশন (DMRC)-এর তরফে জানানো হয়েছে,দিল্লি মেট্রো নেটওয়ার্কের সমস্ত স্টেশনের প্রবেশ ও প্রস্থানের গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব মেট্রো স্টেশনে ইন্টারচেঞ্জ পরিষেবাও চালু রয়েছে। অর্থাৎ, যাত্রীরা এখন মেট্রো স্টেশনে প্রবেশ করা,স্টেশন থেকে বেরনো এবং এক মেট্রো লাইন থেকে অন্য লাইনে যাওয়ার সুবিধা পাবেন।
DMRC-র এই পরিষেবা সংক্রান্ত আপডেটের ফলে যাত্রীদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে স্বস্তি ফিরবে বলে মনে করা হচ্ছে। দিল্লির মতো ব্যস্ত শহরে প্রতিদিন কর্মসূত্রে, পড়াশোনা এবং বিভিন্ন প্রয়োজনে বহু মানুষ মেট্রোর উপর নির্ভর করে থাকেন। ফলে স্টেশনের প্রবেশ ও প্রস্থানের গেট বন্ধ থাকা কিংবা ইন্টারচেঞ্জ পরিষেবা ব্যাহত হলে যাত্রীদের চরম সমস্যায় পড়তে হয়। দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশনের তরফে জানানো হয়েছে, সমস্ত মেট্রো স্টেশনেই প্রবেশ ও প্রস্থানের ব্যবস্থা বর্তমানে চালু রয়েছে। পাশাপাশি, যেসব স্টেশনে একাধিক মেট্রো লাইনের মধ্যে যাতায়াতের সুবিধা রয়েছে, সেখানেও ইন্টারচেঞ্জ পরিষেবা পাওয়া যাচ্ছে।
শনিবার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল 'ককরোচ জনতা পার্টি'। সেই কারণে দিল্লির যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। দিল্লিতে বন্ধ করা হয় ট্রেন ও মেট্রো পরিষেবা। পরিষেবা সংক্রান্ত সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে ডিএমআরসি জানায় যে, নিরাপত্তার কারণে এই বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। শুধু তাই নয় কর্তব্যপথ লাগোয়া এলাকায় বন্ধ করা হয় ইন্টারনেট। জারি করা হয় ১৬৩ ধারা। নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছিল দিল্লিকে। ব্যাপক কড়াকড়িতে সেই আন্দোলন ভেস্তে যায়।
তবে ককরোচরা আবারও পথে নামতে চলেছে। দিল্লিতে নতুন করে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘিরে ফের বাড়ল উত্তেজনা। যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচি করার জন্য নির্দিষ্ট তারিখ জানাতে দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিল ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)। সোমবার এই হুঁশিয়ারি দেন সংগঠনের সহ-আহ্বায়ক আশুতোষ রাঙ্কা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুলিশের কাছ থেকে কোনও উত্তর না এলে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই সোমবার সুপ্রিম কোর্টের উদ্দেশে মিছিলের ডাক দেয় বিরোধীদের INDIA জোট। তাঁদের দাবি, বিরোধীদের দাবি, ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় কথিত অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হোক এবং নির্বাচনী ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হোক।
