কেয়া মণ্ডল:বর্তমান সময়ে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসের কারণে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা বাড়ছে। লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমলে অনেক সময় শুরুতে কোনও উপসর্গ দেখা যায় না। তাই চিকিৎসকের পরামর্শের পাশাপাশি খাবারের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, ফাইবারসমৃদ্ধ ফল সুষম ডায়েটের অংশ হিসেবে রাখা যেতে পারে।
১) আপেল: ফাইবারসমৃদ্ধ এই ফলে পেকটিন রয়েছে, যা হজমের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। আপেলের সঙ্গে অল্প বাদাম খেলে একটি পুষ্টিকর স্ন্যাকস হতে পারে।
২) কিউই: যাঁদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের জন্য কিউই উপকারী হতে পারে। ফলটি ভালোভাবে ধুয়ে খোসাসহ খাওয়া যায়। তবে কিউইতে অ্যালার্জি বা সংবেদনশীলতা থাকলে তা এড়িয়ে চলতে হবে।
৩) রাস্পবেরি: ফাইবারের ভালো উৎস রাস্পবেরি। প্লেইন গ্রিক ইয়োগার্ট বা ওটমিলের সঙ্গে এই ফল খাওয়া যেতে পারে। এতে বাড়তি চিনি ছাড়াই খাবারে স্বাভাবিক মিষ্টত্ব যোগ হয়।
৪) ব্লুবেরি: তাজা ব্লুবেরির পাশাপাশি ফ্রোজেন ব্লুবেরিও খাদ্যতালিকায় রাখা যায়। ইয়োগার্ট, ওটমিল বা স্মুদির সঙ্গে এটি খাওয়া যেতে পারে।
৫) নাশপাতি: বেশি ফাইবার পেতে খোসাসহ নাশপাতি খাওয়া শরীরের জন্য খুব ভালো।
অবশ্যই খাওয়ার আগে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে।
৬) অ্যাভোকাডো: অন্যান্য ফলের তুলনায় অ্যাভোকাডোতে স্বাস্থ্যকর আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট বেশি এবং চিনি তুলনামূলক কম। পাউরুটিতে মাখন বা ক্রিম চিজের পরিবর্তে অ্যাভোকাডো ব্যবহার করা যেতে পারে।
৭) ডালিম: ডালিমের দানা খাবারে সহজেই যোগ করা যায়। বিশেষ করে স্যালাডের সঙ্গে ডালিমের দানা মিশিয়ে খেলে স্বাদ ও পুষ্টি দুটোই বাড়ে।
তবে শুধু নির্দিষ্ট কয়েকটি ফল খেলেই ফ্যাটি লিভারের সমস্যা দূর হবে, এমনটা নয়। খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।