নন্দীগ্রাম: নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন নজির গড়লেন বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ। উপনির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে নিজের নাম তুলে ধরলেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয় হাসিরানির। এই জয়ের সঙ্গে নন্দীগ্রামে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারীর গড়া জয়ের ব্যবধানের রেকর্ডও ভেঙে দিলেন তিনি। ভোটের ফলাফল সামনে আসতেই বিজেপি শিবিরে উচ্ছ্বাসের আবহ তৈরি হয়েছে।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে ৮১ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর এই বিপুল ব্যবধান রাজ্য রাজনীতিতে বিশেষ চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছিল। কিন্তু উপনির্বাচনের ফলাফলে সেই রেকর্ডকেও ছাপিয়ে গেলেন হাসিরানি রথ। প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয় বিজেপির এই প্রার্থীর রাজনৈতিক সাফল্যকে নতুন মাত্রা দিল।
নন্দীগ্রাম বরাবরই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কেন্দ্র। রাজনৈতিক পালাবদল, নির্বাচনী লড়াই এবং বিভিন্ন দলের শক্তিপরীক্ষার কারণে এই কেন্দ্রের ফলাফলের দিকে নজর থাকে গোটা রাজ্যের। সেই নন্দীগ্রামেই উপনির্বাচনে এত বড় ব্যবধানে জয় বিজেপির কাছে নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ। গণনার বিভিন্ন পর্যায়ে বিজেপি প্রার্থীর ব্যবধান বাড়তে থাকায় দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ দেখা যায়। ফলাফল স্পষ্ট হতেই শুরু হয় উচ্ছ্বাস, আবির খেলা এবং মিষ্টিমুখ। বিজেপি শিবিরের কাছে এই জয় শুধু একটি আসন ধরে রাখা বা জেতার বিষয় নয়, বরং নন্দীগ্রামে দলের রাজনৈতিক শক্তিরও একটি বড় বার্তা।
শুভেন্দু অধিকারীর রেকর্ড ভেঙে হাসিরানি রথের এই জয় আগামী দিনে রাজ্য রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে নন্দীগ্রামের মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে এত বড় ব্যবধানের জয় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে, নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে হাসিরানি রথের বিপুল জয় বিজেপির সাফল্যের মুকুটে নতুন পালক। শুভেন্দু অধিকারীর রেকর্ড ছাপিয়ে এই জয় তাঁকে রাজ্য রাজনীতির আলোচনায় আরও গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নিয়ে এল।