নিউ ইয়র্ক: হ্যালোউইনের উৎসবের আনন্দ মুহূর্তের মধ্যে বদলে গেল আতঙ্কে। উৎসবের রাতেই আমেরিকার একাধিক শহরে পরপর বন্দুকবাজের হামলার ঘটনায় প্রাণ হারালেন অন্তত ৬ জন। আহত হয়েছেন আরও ১২ থেকে ১৫ জন। শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই হামলার ঘটনাগুলি ঘটেছে। কোথাও নাইটলাইফ এলাকায়, কোথাও বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে, আবার কোথাও দোকানে চলেছে এলোপাথাড়ি গুলি। একের পর এক এমন ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।
https://x.com/kanpurtak/status/2116912919220994236?a=vE7GSZT2FU6Ml7eydgU&s=20
সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে টেক্সাসের ডালাসে। শহরের জনপ্রিয় নাইটলাইফ এলাকা ডিপ এলামে পরপর গুলির ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে চারজনের। আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন। শনিবার রাতে মাত্র ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিটের মধ্যে তিনটি পৃথক গুলির ঘটনা ঘটে। এই তিনটি ঘটনার মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
অন্যদিকে, আলাবামার বার্মিংহামেও গুলির ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন একজন। একটি ফুটবল ম্যাচের পর স্টেডিয়ামের কাছে এই হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও আটজন। ডেলাওয়্যারের নিউয়ার্কে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে গুলিতে জখম হয়েছেন ছয়জন।
https://x.com/TonyLaneNV/status/2116940083509252319?a=ccjzzKLKbCguNp6uwQA&s=20
ইলিনয়ের ব্লুমিংটনেও ঘটেছে মর্মান্তিক ঘটনা। সেখানে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৯ বছরের এক তরুণীর। আহত হয়েছেন আরও সাতজন। একইভাবে আরকানসাসের ফায়েটভিলে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে গুলির ঘটনায় আহত হয়েছেন ছয়জন।
শুক্রবারও পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল না। ক্যালিফোর্নিয়া ও মিশিগানের দুটি দোকানে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। ক্যালিফোর্নিয়ার ফেয়ারফিল্ডে দুটি পৃথক ঘটনায় এক মহিলা-সহ দু’জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ওই এলাকার ঘটনায় আরও ছয়জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, মিশিগানের ম্যাডিসন হাইটসে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে ২১ বছরের এক যুবকের।
https://x.com/truecrimenatt/status/2116931248144757033?a=MaZo4frHQ00W3FeG8eg&s=20
পরপর এই হামলার ঘটনায় একাধিক শহরে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কয়েকটি ঘটনায় সন্দেহভাজনদের আটক করা হলেও বেশ কিছু ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
কেন এবং কী উদ্দেশ্যে এই হামলাগুলি চালানো হয়েছে, তা জানতে তদন্ত চালাচ্ছেন আধিকারিকরা। হ্যালোউইনের মতো উৎসবের সময় জনবহুল এলাকায় এমন একাধিক গুলির ঘটনায় ফের আমেরিকায় জননিরাপত্তা ও বন্দুক হিংসা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।




