নিউজ ডেস্ক: বিগবস বাংলায় চোখে পড়ছে রাজীবের একটা মারাত্মক ভুল। দুর্নিবার তার ব্রেইন গেমটা খেলল খুবই নিখুঁত ভাবে। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন রাজীবকে যদি গুণ্ডা বলা যায় রাজবীর ট্রিগার হয়ে যাবে। আর রাজবীরের মাথাগরম হলে রাজবীর এলোমেলো কাজ করবেন, সেটা দেখা গেছে আগেও। দুর্নিবার খুব ঠান্ডা মাথায় সেটা বুঝে রাজবীর কে ফাঁসিয়ে দিলেন এবং রাজবীর অবলীলায় ফেঁসেও গেলেন।
প্রথমত বিগ বস কি এই টাস্কটা আসলে দুর্নিবারের ফেভারে করলেন? কারণ ক্রিয়েটিভিটির প্রসঙ্গে বলাযায় দুর্নিবার প্রচণ্ড ক্রিয়েটিভ একটা ছেলে এবং ঝিলাম গুপ্ত প্রচণ্ড ক্রিয়েটিভ একটা মেয়ে। তাদের ক্রিয়েটিভিটি বাকিদের তুলনায় অনেক ভালোভাবে দৃশ্যমান। দ্বিতীয়ত যে চারজনকে নাগরিক হিসেবে রাখা হলো তারা কি আদৌ সাধারণ নাগরিক? মানে তারা কি নিউট্রাল? তাদের মধ্যে বেশিরভাগই দুর্নিবারের দলে । তাহলে কীভাবে জীতুর টিমটা জিতবে?
আরো একটা বিষয় নিয়ে প্রশ্ন উঠছে - ভরত কলের আধিকারিক বা নির্বাচন কমিশনারের চরিত্র নিয়ে। তিনি কি নিজে সত্যিই পক্ষপাতী নন? ভরত কল এমন একজন প্লেয়ার যিনি চা কফির জন্য দল বদলান । আমরা দেখতে পেয়েছি এই জিনিস আগেও। সুতরাং এই টাস্কটা নিয়ে কিন্তু ঝড় উঠছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
অন্যদিকে রাজীবরের কিছু কাজকর্ম করে ফেলা উচিত না যেটা রুলসের বাইরে। যে মুহুর্তে রাজবীর পোস্টারগুলোকে ছেঁড়াছিঁড়ি করলে, পতাকা ভেঙে দিলেন, বা পাখি দলের অফিসে গিয়ে ভাঙচুর করলেন এবং তারপরই রাজীবকে বহিষ্কার করা হলো । এই পুরো ব্যাপারটা দুর্নিবার ঠান্ডা মাথায় খেললেন এবং রাজবীর ওই ফাঁদেই পা দিয়ে ফেললেন। যেটা দুর্নিবার চাইছিলেন এবং দুর্নিবার এটা আইডিয়া করতে পেরেছিলেন যে রাজীবকে হয়তো তার দল প্রচণ্ড অপছন্দ করছে। তাই রাজীবকে এবার রুলসের দিক থেকে যাতে আটকে দেওয়া যায় সেটাই ছিল তার প্ল্যান। তাছাড়াও দুর্নিবার বললেন যে ‘বিরোধী দলের একজন গুণ্ডা আছে যার নাম রাজবীর?’ এগুলো প্রত্যেকটাই কিন্তু গেমের অংশ । দুর্নিবার তার মাথা দিয়ে ভেবেছে এই প্ল্যান। কিন্তু রাজবীরকেও একটু ভাবতে হবে কোন জায়গাটায় মাথাগরম করা উচিৎ কোথায় উচিত নয়। ঠান্ডা মাথায় ভেবে কাজ করতে হবে রাজবীরকে। কারণ রাজবীরকে প্রচণ্ড ভালোবাসছে মানুষ । আর যাই হোক রাজবীর মন দিয়ে খেলাটা খেলছে। ও চেষ্টা করছে । এখন দেখা যাক এখন কি হয় বা না হয় । এই মুহুর্তে অনেক প্ল্যানিং প্রোগ্রাম চলছে বিগ বসের ঘরে, উত্তেজনায় ফুঁসছে দর্শকমহল।
