নয়াদিল্লি: প্রতিবাদ করার অধিকার সংবিধান দিয়েছে। আর যন্তর মন্তরই বিক্ষোভের নির্ধারিত স্থান। সোমবার দিল্লি পুলিশের সামনে এই বক্তব্য তুলে ধরলেন ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র সহ-আহ্বায়ক আশুতোষ রাঙ্কা। যন্তর মন্তরে তাঁদের বিক্ষোভ কর্মসূচি আয়োজনের জন্য নির্দিষ্ট তারিখ জানতে পুলিশের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
দিল্লিতে সাম্প্রতিক বিক্ষোভ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেই নতুন করে প্রতিবাদ কর্মসূচি করার উদ্যোগ নিয়েছে CJP। সেই কর্মসূচির দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে সোমবার পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন সংগঠনের সহ-আহ্বায়ক। তাঁর বক্তব্য, যন্তর মন্তর যখন প্রতিবাদের জন্য নির্ধারিত স্থান, তখন সেখানে কর্মসূচি করার সুযোগ কীভাবে পাওয়া যাবে, তা স্পষ্ট করে জানানো উচিত প্রশাসনের।
রাঙ্কা বলেন, সংবিধান নাগরিকদের প্রতিবাদ করার অধিকার দিয়েছে। সেই অধিকারকে সামনে রেখেই তাঁরা শান্তিপূর্ণভাবে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরতে চান। তাঁদের মূল উদ্দেশ্য, বিক্ষোভের জন্য উপযুক্ত তারিখ এবং প্রয়োজনীয় অনুমতির বিষয়ে পুলিশের কাছ থেকে স্পষ্ট উত্তর পাওয়া।
এর আগে, সংসদ মার্গ থানায় গিয়ে রাঙ্কা দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা দিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, এই সময়ের মধ্যে বিক্ষোভ করার তারিখ ও পদ্ধতি সম্পর্কে জানাতে হবে। অন্যথায় সংগঠন পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবে।
উল্লেখ্য, দিল্লিতে ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়ে বিরোধীদের প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে। INDIA জোটের সুপ্রিম কোর্টমুখী পদযাত্রাকেও সমর্থন জানিয়েছে CJP।
তবে যন্তর মন্তরে নতুন বিক্ষোভের অনুমতি ও দিনক্ষণ নিয়ে দিল্লি পুলিশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও স্পষ্ট নয়। প্রশাসনের প্রতিক্রিয়ার দিকেই এখন নজর CJP নেতৃত্বের।