নয়াদিল্লি: Cockroach Janta Party (CJP)-এর প্রস্তাবিত বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজধানী দিল্লিতে সতর্ক ট্রাফিক ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে পুলিশ। বিক্ষোভের জেরে যাতে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে কোনও সমস্যা না হয়, সেই লক্ষ্যেই শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় ট্রাফিক কর্মীদের মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দিল্লি পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের আধিকারিক দীনেশ কুমার গুপ্ত।
দিল্লি ট্রাফিক জোন-২-এর অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার দীনেশ কুমার গুপ্ত জানান, এলাকার মোট ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ও সংযোগস্থলে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। কোথাও যান চলাচলে বাধা তৈরি হলে পরিস্থিতি অনুযায়ী দ্রুত যানবাহন ঘুরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। সাধারণ মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছতে পারেন, তা নিশ্চিত করাই পুলিশের প্রধান লক্ষ্য।
পুলিশ আধিকারিকের কথায়, বর্তমানে এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। ট্রাফিক কর্মীরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে মোতায়েন রয়েছেন এবং নিয়মিত টহলদারি চালানো হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে কোনও বড় সমস্যা দেখা যায়নি বলেও তিনি জানিয়েছেন।
তবে বিক্ষোভের কারণে কোনও রাস্তায় অবরোধ তৈরি হলে পরিস্থিতি সামাল দিতে আগাম প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী যানবাহনের গতিপথ পরিবর্তন করা হবে এবং বিকল্প রাস্তা দিয়ে গাড়ি চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে। ট্রাফিক পুলিশের কর্মীরা গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন, যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতির কারণে শহরের যান চলাচল দীর্ঘক্ষণ ব্যাহত না হয়।
CJP-র প্রস্তাবিত প্রতিবাদ কর্মসূচিকে ঘিরে রাজধানীতে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিয়ে চর্চা চলছে। এমন পরিস্থিতিতে যান চলাচল সচল রাখা পুলিশের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, সংযোগস্থল এবং বিক্ষোভের সম্ভাব্য এলাকাগুলিতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
দীনেশ কুমার গুপ্তের বক্তব্য, কোনও বিক্ষোভের কারণে রাস্তা বন্ধ হয়ে গেলে ট্রাফিক পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নেবে। সাধারণ মানুষের অসুবিধা কমাতে প্রয়োজনীয় ডাইভারশন কার্যকর করা হবে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চলবে।
সব মিলিয়ে, দিল্লিতে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ট্রাফিক ব্যবস্থা সচল রাখতে প্রস্তুত পুলিশ। আপাতত পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও, বিক্ষোভের গতিপ্রকৃতি অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ট্রাফিক বিভাগ।