নয়াদিল্লি: CJP প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকা পুলিশের হেফাজতে থাকলেও যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কক্রোচ জনতা পার্টি (CJP)। দলের অর্গানাইজেশন ইনচার্জ অজিঙ্ক্য শিন্ডে এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেবেন বলে একটি প্রি-রেকর্ডেড ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন অভিজিৎ দীপকে।
https://x.com/Cockroachisback/status/2108822113800818870?s=20
সম্ভাব্য গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকেই শুক্রবার রাতেই ভিডিওটি রেকর্ড করে রেখেছিলেন অভিজিৎ। দলের তরফে জানানো হয়েছে, অভিজিৎ, সৌরভ এবং আশুতোষ আটক থাকা পর্যন্ত আন্দোলনের দায়িত্ব সামলাবেন অজিঙ্ক্য শিন্ডে। ফলে শীর্ষ নেতৃত্বকে আটক করার পরেও কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দিল CJP।
শনিবার দিল্লিতে পৌঁছনোর পর বিমান থেকেই অভিজিৎ দীপকে-সহ CJP-র তিন নেতাকে আটক করে পুলিশ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে এবং তাঁর পদত্যাগের দাবিতে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁদের। কিন্তু দিল্লি পুলিশ আগেই এই কর্মসূচির অনুমতি দেয়নি। বিক্ষোভ ঘিরে রাজধানীর একাধিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
CJP-র আন্দোলনের অন্যতম প্রধান বিষয় ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR। এই প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা এবং ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছে আন্দোলনকারীরা। তাদের দাবি, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
অভিজিতের আগাম রেকর্ড করা ভিডিওর মাধ্যমে দলের কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে—শীর্ষ নেতারা আটক থাকলেও বিক্ষোভের পরিকল্পনা বদলাচ্ছে না। এখন নজর অজিঙ্ক্য শিন্ডের নেতৃত্বে যন্তর মন্তরে কর্মসূচি কীভাবে এগোয় এবং পুলিশ কী পদক্ষেপ করে, তার দিকে।
তবে বিক্ষোভের অনুমতি না থাকা এবং রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তার কারণে কর্মসূচি ঘিরে অনিশ্চয়তা বজায় রয়েছে।