কোথায় আছড়ে পড়ল অর্ণব?

- ২৮ অক্টোবর ভোরে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া শুরু।
- কাকিনাড়া ও ইয়ানাম সংলগ্ন এলাকায় প্রবল প্রভাব।
- স্থায়ী বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১২৫–১৩৫ কিমি।
- দমকা হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫০ কিমি পর্যন্ত পৌঁছনোর পূর্বাভাস।
কাকিনাড়া ও কোনাসীমা

- একাধিক এলাকায় গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়েছে।
- উপকূলের রাস্তায় পাথর ও ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়েছে।
- বাড়িঘর ও হোর্ডিং ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর।
- বহু এলাকায় বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত।
বিশাখাপত্তনমে ভারী বৃষ্টি

- রাত পর্যন্ত বিশাখাপত্তনম জেলায় ২০০.২০ মিমি বৃষ্টির খবর।
- বিজয়নগরম জেলার কোথাভালাসায় ১৬২.৭৫ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড।
- গাছ ভেঙে রাস্তা অবরুদ্ধ, যান চলাচলে বিঘ্ন।
- একাধিক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ।
উপকূলে জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা

- কাকিনাড়া ও ইয়ানাম অঞ্চলে সমুদ্রের ঢেউ ১.৫–২.৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু হওয়ার খবর।
- নিচু উপকূলবর্তী এলাকায় জল ঢোকার আশঙ্কা।
- উড়ে গিয়েছে টিনের ছাউনি, ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলের রাস্তা।
- বিপজ্জনক এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
রেল ও সড়ক পরিবহণে ধাক্কা

- ৬৩টি ট্রেন বাতিল, ১৫টি ট্রেনের সময়সূচি পরিবর্তনের খবর।
- বিশাখাপত্তনম জেলায় ১৬০টি বাস পরিষেবা বাতিল।
- জাতীয় সড়ক ১৬-এর কয়েকটি অংশে যান চলাচল ব্যাহত।
- বিমান পরিষেবাতেও প্রভাব পড়েছে।
কত মানুষকে সরানো হল?

- অন্ধ্রপ্রদেশে ৮৪,৩৯৬ জনকে ২৯০টি ত্রাণশিবিরে সরানোর খবর।
- ওড়িশার একাধিক জেলায় স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে।
- উদ্ধারকারী দল ও প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে।
- উপকূলের বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ।
বাংলায় কী প্রভাব?

- ২৮–২৯ অক্টোবর দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা।
- ২৯–৩০ অক্টোবর কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা।
- পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুরে বেশি বৃষ্টির পূর্বাভাস।




