নয়াদিল্লি: CJP-র প্রস্তাবিত বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত রাজধানী দিল্লি। এরই মধ্যে যন্তর মন্তরের জনশূন্য রাস্তার একটি ভিডিও পোস্ট করেছে দিল্লি পুলিশ। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচির দিনেই পুলিশের এই ভিডিও ঘিরে শুরু হয়েছে আলোচনা।
https://x.com/DCPNewDelhi/status/2108796951521337634?s=20
কক্রোচ জনতা পার্টি (CJP)-র মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ১০ অক্টোবর যন্তর মন্তরে বড়সড় বিক্ষোভ কর্মসূচি করার পরিকল্পনা ছিল। তবে দিল্লি পুলিশ এই কর্মসূচির অনুমতি দেয়নি। পুলিশের বক্তব্য, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন জমা না দেওয়া, আগের কর্মসূচিতে নিয়ম না মানার অভিযোগ এবং বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই অনুমতি দেওয়া হয়নি।
বিক্ষোভ ঘিরে রাজধানীর নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় ব্যারিকেড, গাড়িতে তল্লাশি এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। প্রতিবাদকারীদের যন্তর মন্তরে পৌঁছনো আটকাতে একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে।
এর মধ্যেই CJP-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং দলের নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকে দিল্লি বিমানবন্দরে আটক করা হয় বলে দলের তরফে জানানো হয়েছে। তাঁদের আটকের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে CJP। অন্যদিকে, সুপ্রিম কোর্ট থেকে যন্তর মন্তরের দিকে মিছিল করার চেষ্টা করা কয়েকজন আইনজীবীকেও আটক করা হয়েছে বলে খবর।
দিল্লি পুলিশের পোস্ট করা ফাঁকা রাস্তার ভিডিওটি এমন এক সময়ে সামনে এসেছে, যখন রাজধানীর বিভিন্ন অংশে বিক্ষোভ ঠেকাতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে। তবে ভিডিওটি ঠিক কখন ধারণ করা হয়েছে এবং সেটি দিনের সামগ্রিক পরিস্থিতির কতটা প্রতিফলন ঘটায়, তা স্পষ্ট নয়।
উল্লেখ্য, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের একাংশের অভিযোগের প্রেক্ষিতেই এই আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন অবশ্য ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা অভিযোগের সঙ্গে একমত নয়।
যন্তর মন্তরের ফাঁকা রাস্তার ভিডিও দিয়ে দিল্লি পুলিশ কী বার্তা দিতে চাইছে, তা নিয়ে এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।