নিউজ ডেস্ক: CJP আন্দোলন ঘিরে উত্তাল রাজধানী। শনিবার সকাল থেকেই যন্তর মন্তরের সামনে পৌঁছনোর আগেই চলছে ধরপাকড়। এরই মধ্য়ে যন্তর মন্তর যাওয়ার আগেই সিপিএমের নেতাদের পাকড়াও করল পুলিশ। দিল্লিতে সিজেপির আন্দোলনে যোগ দেওয়ার আগেই আটক করা হয়েছে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী এবং মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কে। পুলিশের সঙ্গে বাম নেতাকর্মীদের ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটেছে বলে খবর।
শনিবার সকাল থেকেই দিল্লিতে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার সময় একাধিক জায়গায় আন্দোলনকারীদের আটকে দেয় পুলিশ। সুজন চক্রবর্তী, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়-সহ বাম নেতৃত্ব কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে এগোনোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাঁদের পথ আটকায়। এরপরই পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত সুজন ও মীনাক্ষীকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ।
এই কর্মসূচিতে সিপিএমের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি, বর্ষীয়ান নেত্রী বৃন্দা কারাত-সহ একাধিক বাম নেতাকেও আটক করা হয়েছে বলে খবর। কেরলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নকেও আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। অন্যদিকে, সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির দফতর ঘিরে রাখার অভিযোগও উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।
শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে CJP-র বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এই কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছিল। তবে বিক্ষোভের জন্য অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসা কয়েক জনকে আটকও করা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়। নিরাপত্তার কারণে দিল্লি মেট্রোর একাধিক স্টেশনের প্রবেশ ও প্রস্থান পথ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফলে যাতায়াতের ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়েন সাধারণ যাত্রীরা। সন্দেহজনক কাউকে দেখলেই জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। ধরপাকড়ও চলছে।
প্রতিবাদের জেরে রাজধানীর সাধারণ মানুষের যাতায়াতেও প্রভাব পড়েছে। নিরাপত্তার কারণে দিল্লি মেট্রোর ৪৫টি স্টেশনে প্রবেশ ও প্রস্থান সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার কথা জানানো হয়েছে। কিছু ট্রেন পরিষেবাতেও বাতিলের প্রভাব পড়েছে বলে খবর। পাশাপাশি, দিল্লির বিভিন্ন প্রবেশপথে যানবাহন পরীক্ষা এবং সন্দেহভাজনদের উপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এসআইআর বিতর্কে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং গ্রেফতারির দাবি তুলে দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। পাশাপাশি বিরোধী ইন্ডি জোটও পথে নেমেছে। এখনও পর্যন্ত ৪০০ জনকে আটক করা হয়েছে। আটক হয়েছেন খোদ ককরোচ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে, সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কারা।
