স্পোর্টস ডেস্ক: এএফসি কাপের ম্যাচে এগিয়ে থেকেও হার ইস্টবেঙ্গলের । এদিন ঘরের মাঠ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ইরাকের দল আল শোর্তার কাছে হারাল আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের দল । জোড়া গোল ডেভিডের ।
ম্যাচে এদিন শুরু থেকেই আক্রমণে ঝাঁপায় আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের দল । যার ফলে ম্যাচের ৮ মিনিটেই ১-০ গোলে এগিয়ে যায় লাল-হলুদ । ইস্টবেঙ্গলকে গোল করে এগিয়ে দেন ডেভিড । হার্দিকের বাড়ানো বলে গোল করেন তিনি । যদিও এই ব্যবধান বেশি সময় পর্যন্ত ধরে রাখতে পারেনি হাবাসের দল । ম্যাচের ১৪ মিনিটে গোল শোধ করে আল শোর্তা। ডিফিন্সের ভুলে গোল হজম করে লাল-হলুদ । কর্নার থেকে বল পান আল শোর্তার আহমেদ ইয়াহা। তিনি বল পেয়ে সরাসরি হেড দিয়ে জালে বল জড়িয়ে দেন।
এরপর ম্যাচে পাল্টা আক্রমণ চালায় ইস্টবেঙ্গল । যার ফলে ম্যাচের ২১ মিনিটে সুযোগ চলে আসে লাল-হলুদের সামনে । বক্সের অনেকটা বাইরে থেকে দূরপাল্লার শট নেন লালচুননুঙ্গা। বলটা বাঁক খায়, বিপক্ষের গোলকিপার কোনওমতে সেটাকে আটকান। এরপর একের পর এক আক্রমণে ঝাঁপায় লাল-হলুদ । যার ফলে ম্যাচের ৪০ মিনিটে নিজের এবং দলের দ্বিতীয় গোল চলে আসে ডেভিডে পা থেকে । ফ্রিকিক থেকে গোল করে দলকে ২-১ এ এগিয়ে দেন তিনি । এর ঠিক কয়েক মিনিটের মধ্যে ফের সুযোগ চলে আসে লাল-হলুদের সামনে । সেই ডেভিড । জয় গুপ্তা ডেভিডকে বল বাড়ান, বক্সের সামনে থেকে ডেভিড শট নেন, কিন্তু তা পোস্টের উপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। প্রথমার্ধে ২-১ গোলে এগিয়ে থাকে হাবাসের দল।
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণে ঝাঁজ বাড়ায় ইরাকের দল । যার ফলে ম্যাচের ৫১ মিনিটেই সমতা ফেরায় আল শোর্তা । আল শোর্তার হয়ে গোলটি করেন হুসেইন আলি । বক্সের বাঁদিক থেকে আহমেদ ইয়াহা বল বাড়ান হুসেলকে । এর ঠিক কয়েক মিনিটের তৃতীয় গোলটি করে ফেলে ইরাকের দলটি । পরিবর্ত হিসেবে নামা ক্রিস্তিয়ান বার্কোর মাপা কর্নার দেন। বলটা সরাসরি যায় কিংসলে কুকু-র কাছে। তিনি বল পেয়ে কোনও ভুল না করে ইস্টবেঙ্গলের নিয়ার পোস্টে মারেন। যার ফলে ৩-২ গোলে এগিয়ে যায় আল শোর্তা ।
এরপর ম্যাচে ফের আক্রমণ চালায় ইস্টবেঙ্গল । যার ফলে ম্যাচের ৫৫ মিনিটে সুযোগ চলে আসে ইস্টবেঙ্গলের সামনে । বক্সের বাইরে থেকে জয় গুপ্তা মাপা বল বাড়ান ডেভিডকে। তিনি গোল লক্ষ্য করে শট নিলেও বিপক্ষের গোলকিপার জালাল পাঞ্চ করে বল বের করে দেন। এরপর ফের সুযোগ পায় ইস্টবেঙ্গল । এবারও ডেভিড । তিনি শট নিলে তা বাঁচিয়ে দেন আল শোর্তার গোলরক্ষক । এরপর চলে আক্রমণ প্রতি আক্রমণের লড়াই । তবে গোলের ব্যবধান বাড়াতে পারেনি হাবাসের দল ।
