JAZZBAAT 24 বাংলা ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী তথা প্রাক্তন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের সম্পর্ক এবং প্রকাশ্য রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে ফের জল্পনা। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে হোয়াইট হাউসে মেলানিয়ার উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত কম, এমনই দাবি করলেন হোয়াইট হাউসের প্রাক্তন ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি সারা ম্যাথিউজ। শুধু তা-ই নয়, নির্বাচনী প্রচারে স্বামীর সঙ্গে মঞ্চে হাজির হওয়ার জন্য মেলানিয়া পারিশ্রমিক নিতেন বলেও দাবি করেছেন তিনি। যদিও এই দাবির সমর্থনে কোনও প্রমাণ দেননি ম্যাথিউজ। ফলে বিষয়টি এখনও অভিযোগের স্তরেই রয়েছে।
একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে ম্যাথিউজ বলেন, ট্রাম্পের ২০২০ সালের প্রচার-দলের হয়ে এক বছর কাজ করার পর হোয়াইট হাউসেও দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। কিন্তু সেই সময়ে মেলানিয়ার সঙ্গে তাঁর কখনও দেখা হয়নি। তাঁর কথায়, "মেলানিয়া যে হোয়াইট হাউসে থাকতে চাইতেন না, এটা প্রশাসনের অন্দরে সকলেই জানত।" নিউ ইয়র্কে থাকতেই মেলানিয়া বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করতেন। এমনকি হোয়াইট হাউসকে মেলানিয়া নাকি ভেঙেচুরে যাওয়া পুরনো, জীর্ণ বাড়ি-ও বলতেন বলেও দাবি করেছেন ম্যাথিউজ।।
এর পরেই আরও চাঞ্চল্যকর দাবি করেন ট্রাম্পের প্রাক্তন সহযোগী। তাঁর কথায়, প্রচারের সময় ট্রাম্পের সঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাজির হওয়ার জন্য মেলানিয়াকে টাকা দেওয়া হত। এমনকি সে কথা রিপোর্টও করা হয়েছিল। তবে এই দাবির সপক্ষে কোনও যথার্থ প্রমাণ মেলেনি। মেলানিয়ার সাম্প্রতিক প্রকাশ্য উপস্থিতি নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। চলতি সপ্তাহে হোয়াইট হাউসের রোজ গার্ডেনে ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার’ কর্মসূচিতে দেখা যায় তাঁকে। তার আগে এক মাসেরও বেশি সময় কোনও প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি ট্রাম্প-পত্নীকে।
এদিকে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহকারী নাটালি হার্পকে ঘিরে সাম্প্রতিক নানা রিপোর্টের পর মেলানিয়ার ওই উপস্থিতি নিয়েও জল্পনা ছড়িয়েছে। ম্যাথিউজ অবশ্য ইঙ্গিত করেছেন, হার্পকে ঘিরে প্রকাশিত খবর মেলানিয়ার অসন্তোষের কারণ হতে পারে। ২৩ অগাস্ট ওয়াশিংটন ডিসিতে ‘ফ্রিডম ২৫০’ ইন্ডিকার রেসের একটি ভিডিও সেই জল্পনায় নতুন মাত্রা দিয়েছে। সমাজ মাধ্যমে ছড়ানো ওই ভিডিওতে দাবি করা হয়েছে, হার্পকে কাছাকাছি দেখা যাওয়ার পর মেলানিয়াকে দর্শকাসন ছেড়ে বেরিয়ে যেতে দেখা যায়। তবে ভিডিওটির প্রেক্ষাপট বা মেলানিয়ার বেরিয়ে যাওয়ার আসল কারণ স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। ফলে ‘পারিশ্রমিকের বিনিময়ে হাজিরা’ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলি—সবই আপাতত দাবির পর্যায়েই।