নিউজ ডেস্ক: শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতি এবং স্কুলের পরিকাঠামোগত সমস্যার সমাধানের দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স। মঙ্গলবার প্যারিস-সহ দেশের বিভিন্ন শহরে পথে নামেন হাজার হাজার পড়ুয়া, শিক্ষক এবং অভিভাবক। কোথাও বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণভাবে চললেও, রাজধানী প্যারিস-সহ কয়েকটি এলাকায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা সামনে এসেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে পুলিশ। সংঘর্ষের কিছু ক্ষেত্রে জলকামানও ব্যবহার করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
বিক্ষোভকারীদের মূল দাবি, স্কুলে শিক্ষকের ঘাটতি পূরণ, অতিরিক্ত পড়ুয়ার চাপ কমানো এবং জরাজীর্ণ স্কুল ভবনগুলির দ্রুত সংস্কার। দীর্ঘদিন ধরে স্কুলের পরিকাঠামো ও শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে অসন্তোষ জমছিল পড়ুয়াদের মধ্যে। সেই ক্ষোভ থেকেই সেপ্টেম্বর মাসে শুরু হওয়া আন্দোলন ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। এই আন্দোলনে ছাত্রছাত্রীদের পাশাপাশি শিক্ষক, অভিভাবক এবং শ্রমিক সংগঠনগুলির একাংশও সমর্থন জানিয়েছে।
https://www.facebook.com/share/v/1E6cTuqnxK/
ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবারের দেশজুড়ে বিক্ষোভে অংশ নেন প্রায় ১ লক্ষ ৬১ হাজার মানুষ। আগের সপ্তাহের তুলনায় বিক্ষোভকারীর সংখ্যা কমলেও একাধিক জায়গায় উত্তেজনা দেখা যায়। শিক্ষা মন্ত্রকের হিসাব অনুযায়ী, ওই দিন ২১৪টি স্কুল বন্ধ ছিল। প্যারিসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে সংঘর্ষ চলাকালীন একটি গাড়িতে আগুন লাগানোর ঘটনাও সামনে এসেছে।
বিক্ষোভ ঘিরে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আন্দোলনকারীদের একাংশের অভিযোগ, বিক্ষোভ সামলাতে বলপ্রয়োগের ফলে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। অন্যদিকে, হিংসা ও সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনা ঠেকাতে পুলিশের পদক্ষেপের পক্ষে সওয়াল করেছে প্রশাসনের একাংশ।