কেলেঙ্কারির জেরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে জাতীয় রাজধানীতে রাজনৈতিক পারদ চরমে। সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক কেন্দ্রের লিখিত আশ্বাসে ২৬ দিনের দীর্ঘ অনশন প্রত্যাহার করলেও, আন্দোলনে অনড় মনোভাব বজায় রেখেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে যন্তর মন্তরে তাদের বিক্ষোভ কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। এমনই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টায় দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে কেন্দ্র ও সিজেপি প্রতিনিধিদের মধ্যে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। নিরপেক্ষ মধ্যস্থতার স্বার্থে রাজনৈতিক কোনো বাসভবনের বদলে এই স্থান নির্বাচন করা হয়েছে বলে খবর।
সিজেপি মুখপাত্র সৌরভ দাস জানান, সরকারের সঙ্গে তাদের আলোচনা মুক্ত মনে এবং ইতিবাচক পরিবেশে হবে বলেই তারা আশাবাদী। অন্য এক মুখপাত্র বৈষ্ণবী গৌর পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে, প্রারম্ভিক দাবি বাস্তবায়নে দল কোনো আপস করবে না। বর্তমানে সিজেপির মূল তিন দফা দাবি হলো - ১)কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের তাৎক্ষণিক পদত্যাগ।২)প্রশ্নপত্র ফাঁসের হতাশায় আত্মঘাতী পরীক্ষার্থীদের পরিবারকে উপযুক্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদান। ৩)শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে যুক্ত আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে করা সমস্ত এফআইআর প্রত্যাহার করতে হবে।
প্রসঙ্গত, যন্তর মন্তরে আন্দোলনকারীদের ওপর আইনি পদক্ষেপ না নেওয়া এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে ক্ষতিপূরণের বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখার লিখিত আশ্বাস কেন্দ্র ইতোমধ্যে ওয়াংচুককে দিয়েছে। ফলে প্রথম দুটি দাবির বিষয়ে বরফ গলার পথ তৈরি হলেও, শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে অবিচল সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।
তিনি তার সামাজিক মাধ্যমে এসে স্পষ্ট জানান - "হ্যালো এভরিওয়ান!সোনম স্যার অনশন ভঙ্গ করেছেন - "তাতে আমাদের স্বস্তি মিলেছে। কারন সোনম স্যারের জীবন এই দেশের জন্য দামী।তবে যন্তরমন্তরে যে আন্দোলন চলছে,তা চলবে;যতক্ষণ না ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দেন। সোনম স্যারের ২৬দিন অনশন বৃথা যেতে দেব না। ছাত্রদের ত্যাগ বৃথা যেতে দেব নি।এই আন্দোলন চলবে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ পর্যন্ত।"