ওয়াশিংটন, নিউজ ডেস্ক: এ আই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। যা মানুষের জীবনে প্রতিনিয়ত সব ক্ষেত্রেই জড়িয়ে যাচ্ছে। প্রতিনিয়ত মানুষের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। এবার এ আই এর বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করল মার্কিন প্রেসিডেন্ট। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দুনিয়ায় বড়সড় বদলের ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই ঘোষণার পর শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তাঁর ঘোষণা, এবার থেকে AI-কে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘Super Intelligence’ বা ‘SI’ নামে অভিহিত করবে মার্কিন সরকার। এ বিষয়ে সরকারি নথি স্বাক্ষরিত হবে বলেও স্পষ্টভাবে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন।
হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রযুক্তি দুনিয়ার একাধিক শীর্ষ কর্তার সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন ট্রাম্প। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্পেসএক্স ও টেসলার প্রধান ইলন মাস্ক, মেটার CEO মার্ক জাকারবার্গ, গুগলের CEO সুন্দর পিচাই এবং NVIDIA-র CEO জেনসেন হুয়াং-সহ একাধিক প্রযুক্তি সংস্থার শীর্ষকর্তারা। তাদের উপস্থিতিতেই এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “এআই-কে এআই বলা ঠিক নয়। তাই আমরা এটিকে সুপার ইন্টেলিজেন্স (Super Intelligence) নামে সরকারি ভাবে নামকরণ করতে চলেছি। ” এই প্রযুক্তি এতোটাই বিস্তৃত যে সমগ্র ইন্টারনেটের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। মানুষের জীবনে বিরাট পরিবর্তন ঘটাতে পারে। শুধু প্রযুক্তির বিকাশ নয়, এআই-কে ঘিরে পরিকাঠামো তৈরির বিষয়েও জোর দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বিশেষ করে বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হতে চলা ডেটা সেন্টার গুলির সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রশাসনের সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। এআইকে কাজে লাগিয়ে বিস্তর পরিবর্তন করতে চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
শুধু তাই নয় এর পাশাপাশি ‘Super Intelligence’-এর নিরাপত্তা ও অপব্যবহারের সম্ভাবনাও আলোচনায় উঠে আসে। ট্রাম্পের দাবি, এই অত্যাধুনিক মডেলগুলি জটিল হলেও সেগুলিকে মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করাই লক্ষ্য। অপব্যবহার হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
হোয়াইট হাউসের এই বৈঠকে পরবর্তী প্রজন্মের AI বা ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স' (Super Intelligence) কীভাবে নিরাপদ ও দায়িত্বশীলভাবে তৈরি করা যায়, সেই সংক্রান্ত একটি ‘White House Accord’-এর কাঠামো নিয়েও আলোচনা হয়েছে। আগামী দিনে এই প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চলেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তা স্পষ্ট।