নিউজ ডেস্ক: আলমারি ভর্তি পোশাক, অথচ সকালে তৈরি হওয়ার সময় সেই একই প্রশ্ন, আজ কী পরব? কখনও বাইরে যাওয়ার আগে মনে হচ্ছে, পরার মতো কিছুই নেই!কখনও আবার অফিসের জন্য উপযুক্ত পোশাক খুঁজতে গিয়ে সময় নষ্ট। এই সমস্যার সমাধানে ফ্যাশন দুনিয়ায় জনপ্রিয় হচ্ছে 3-3-3 Outfit Rule। মাত্র ৯টি বাছাই করা পোশাক দিয়েই তৈরি হবে একাধিক আকর্ষণীয় লুক।
কী এই 3-3-3 Outfit Rule? নাম থেকেই বোঝা যায়, এখানে তিনটি করে মোট তিন ধরনের পোশাক বেছে নেওয়ার ধারণা রয়েছে। যেমন, তিনটি শার্ট বা টপ , তিনটি বটম প্যান্ট, জিন্স কিংবা স্কার্ট এবং তিনটি অতিরিক্ত পোশাক বা লেয়ারিং পিস। তবে এই নিয়মের নির্দিষ্ট কোনও একমাত্র সংস্করণ নেই। অনেকেই নিজেদের পছন্দ ও প্রয়োজন অনুযায়ী পোশাকের বিভাগ ঠিক করেন।
এবার আসা যাক স্টাইলিংয়ে । ধরুন, আপনার কাছে রয়েছে একটি সাদা শার্ট, একটি কালো টপ, একটি রঙিন টপ, একটি নীল জিন্স, একটি কালো ট্রাউজার এবং একটি স্কার্ট। সঙ্গে থাকল আরও তিনটি মানানসই পোশাক। এই পোশাকগুলিকে বিভিন্নভাবে মিলিয়ে তৈরি করা সম্ভব একাধিক নতুন লুক। একই শার্ট কখনও জিন্সের সঙ্গে ক্যাজুয়াল, কখনও ট্রাউজারের সঙ্গে অফিস-রেডি। আবার উপযুক্ত জ্যাকেট বা অ্যাকসেসরিজ যোগ করলে বদলে যেতে পারে গোটা সাজ।
এই প্রশেসের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, অকারণে নতুন পোশাক কেনার ইচ্ছে কমানো যায়। অন্যদিকে সকালে কী পরবেন, তা ঠিক করতে কম সময় লাগে। বাইরে যাওয়ার সময়ও কম পোশাক নিয়ে বেশি ধরনের সাজ তৈরি করা সম্ভব।
তবে মনে রাখা জরুরি, সবার শরীরিক গঠন, পেশা, আবহাওয়া ও ফ্যাশন পছন্দ এক নয়। তাই নিয়মটিকে বাধ্যবাধকতা হিসেবে না দেখে নিজের জীবনযাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নিন।
ফ্যাশন মানেই প্রতিদিন নতুন পোশাক নয়। বরং হাতে থাকা পোশাককে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে ব্যবহার করেই তৈরি হতে পারে আপনার নিজস্ব স্টাইল স্টেটমেন্ট।




