নিউজ ডেস্ক: চোরবাগানের মর্মান্তিক ঘটনায় প্রাণ হারানো মানুষদের স্মরণ করে শ্রদ্ধা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্য মন্ত্রিসভার সদস্যরা। বুধবার নবান্নে মন্ত্রিসভার বৈঠক শুরুর আগে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। একইসঙ্গে মৃতদের আত্মার চিরশান্তি কামনা করে প্রার্থনাও করেন মুখ্যমন্ত্রী-সহ মন্ত্রিসভার সদস্যরা।
চোরবাগানের এই ঘটনা রাজ্যজুড়ে শোকের আবহ তৈরি করেছে। উৎসবের আনন্দের মধ্যে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক ঘটনায় বহু মানুষের প্রাণহানির পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে। ঘটনার পর থেকেই বিষয়টি ঘিরে নানা মহলে আলোচনা চলছে। এমন পরিস্থিতিতে নবান্নে মন্ত্রিসভার বৈঠকের আগে নিহতদের স্মরণে শ্রদ্ধা নিবেদন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
গত শনিবার সন্ধ্যায় সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিট নাগাদ মণ্ডপের বেরোনোর গেটের কাছে এই ঘটনাটি ঘটে। বৃষ্টির মধ্যে পুজো দেখতে আসা দর্শনার্থীদের অতিরিক্ত ভিড়ের জেরে পরিস্থিতি সামাল দিতে সমস্যা তৈরি হয়। ঘটনায় প্রাণ হারান ১৯ জন। অসুস্থ ও আহতদের উদ্ধার করে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী পাঠানো হয়। উদ্ধারকাজে যোগ দেয় দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা দল এবং চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী-সহ অ্যাম্বুল্যান্স। ঘটনার পর থেকেই চোরবাগান এলাকার পরিস্থিতি এবং পুজো মণ্ডপে নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
ইতিমধ্যে, ঘটনার পুনর্নির্মাণ শুরু করেছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। গত রবিবার ধৃত ঘোষক সেন্টুকে নিয়ে যাওয়া হয় ঘটনাস্থলে। চোরবাগান মণ্ডপে কী পরিস্থিতি ছিল, কখন ঘোষণা করা হয়েছিল এবং ঘোষণার পিছনে কারও নির্দেশ ছিল কি না, তা জানার চেষ্টা চলছে। সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্যের সঙ্গে ঘটনাস্থলের পুনর্নির্মাণের মাধ্যমে সে দিনের ঘটনাক্রম স্পষ্ট করতে চাইছে পুলিশ।




