নিউজ ডেস্ক: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি ভবানীপুরেও প্রার্থী হন। দুটি আসনেই জয়ের পর নন্দীগ্রাম আসনটি ছাড়েন। অন্যদিকে, আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর নওদা ও রেজিনগরে জিতেছিলেন। তিনি রেজিনগর আসনটি ছাড়েন। তার ফলে দুটি আসনে উপনির্বাচন হয়। দুটি আসনেই বিপুল ভোটে জিতেছেন বিজেপি প্রার্থীরা। আজ অর্থাৎ বুধবার বিজেপির দুই নবনির্বাচিত বিধায়কের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান ছিল বিধানসভায়। সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে নাম না করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'ভবানীপুর আসনটি ছেড়ে দিলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেখানে ফের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ তৈরি হতে পারত। সেই সম্ভাবনা এড়াতেই তিনি ভবানীপুর ধরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে ইঙ্গিত দেন। একইসঙ্গে মমতার বয়স প্রসঙ্গেও কটাক্ষ করেন বলেন, 'অনেক বয়স হয়ে গিয়েছে। প্রায় ৭৫। এই বয়সে তাঁর না দাঁড়ানোই ভালো। এই বয়সে বিশ্রাম নেওয়ার কথা। সেই কারণে আমি নন্দীগ্রাম ছেড়েছি। স্বাভাবিকভাবেই মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাপানউতোর তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে, প্রাক্তন আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের খুনের তদন্ত নিয়েও মুখ খোলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, 'হাসিরানির ছেলেকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে। ২ কোটি টাকার সুপারি কে দিয়েছিল সেটা জানা বাকি। নির্দেশ কোথা থেকে এসেছিল, কালীঘাট নাকি ক্যামাক স্ট্রিট থেকে এসেছিল? তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সম্প্রতি, তমলুকে কার্যালয় ভবনের ভূমিপুজোর পাশাপাশি হলদিয়া পুর ভোটের প্রসঙ্গেও মুখ খোলেন শুভেন্দু। বিরোধী শূন্য করার ডাক দিয়ে বলেন, '৩০ টি আসনের মধ্যে সবকটিতেই জিততে হবে। আমি থাকব চিন্তার কোনও কারণ নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে খালি হাতে ফেরাতে হবে আরশোলা-ছারপোকাদের বংশবিস্তার করতে দেওয়া যাবে না। তাই সতর্ক থাকতে হবে। এটা মাথায় রাখবেন।'




