নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোর পাস বিলি দুর্নীতি মামলায় ইন্দ্রনীল সেনের আগাম জামিনের আবেদন আগেই খারিজ করে দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। এবার তাঁর মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তও। ফলে মামলাটি এবার নতুন বেঞ্চে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে। পরবর্তী শুনানি কবে হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
এর আগে কলকাতা হাই কোর্টে আগাম জামিন চেয়েছিলেন ইন্দ্রনীল সেন। কিন্তু গত ১৫ অক্টোবর তাঁর আবেদন খারিজ হয়ে যায়। হাই কোর্টের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। অভিযোগ, দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শোয়ের পাস বিক্রির সঙ্গে যুক্ত আর্থিক লেনদেনে অনিয়ম হয়েছিল। এই অভিযোগের ভিত্তিতে বৌবাজার থানায় মামলা দায়ের হয়। পরে তদন্তে নামে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। তদন্তের সূত্রে ইন্দ্রনীল সেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং তাঁর একাধিক সম্পত্তিতে তল্লাশিও চালানো হয়েছে বলে খবর। এবার সুপ্রিম কোর্টের নতুন বেঞ্চে মামলাটি উঠলে আগাম জামিনের আবেদনের ভবিষ্যৎ স্পষ্ট হতে পারে। তবে অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি।
তৃণমূল আমলের অন্যতম উল্লেখযোগ্য মন্ত্রী ছিলেন ইন্দ্রনীল সেন। অভিযোগ, ইউনেস্কোর নাম ভাঙিয়ে চড়া দামে দুর্গাপুজোর টিকিট বিক্রি করতেন তিনি। দুর্গাপুজোর 'প্রিভিউ শো' সংক্রান্ত আর্থিক অনিয়ম ও অর্থপাচারের তদন্তে ইন্দ্রনীল সেনের সংস্থা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা পাঠানোর তথ্য পেয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ঘটনায় নাম জড়িয়েছে তাঁর স্ত্রী এবং তাঁদের সংস্থা ‘মাস আর্ট’-এর।
জানা গিয়েছে, মাস আর্ট নামে ওই সংস্থাটি ইন্দ্রনীল সেনের স্ত্রী মধুছন্দা সেনের ৷ ইন্দ্রনীল ও তাঁর স্ত্রীইউনেস্কোর নাম ও লোগো বেআইনিভাবে ব্যবহার করে দুর্গাপুজোর ‘প্রিভিউ শো’ এবং ‘প্রিভিলেজড প্রি-পুজো এন্ট্রি’ টিকিট বিক্রি করতেন বলে অভিযোগ ৷ সেই নিয়ে অভিযোগ দায়ের হয় কলকাতার বউবাজার থানায়৷ শুরু হয় তদন্ত৷ এরপর সিজিও কমপ্লেক্সে দু’বার তলব করা হয়েছিল রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীকে। এবার নতুন করে বিপাকে পড়েছে ইন্দ্রনীল সেন।




