নিউজ ডেস্ক: বেঙ্গালুরু মেট্রোয় গোপনে এক তরুণীর ভিডিও করার অভিযোগ, বুঝতে পারার পর আতঙ্কিত তরুণী।
অভিযোগ উঠেছে এক পুরুষ সহযাত্রীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে ওই তরুণীর শেয়ার করা একটি ভিডিয়ো। নিজের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে ঘটনার বিবরণ দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, এই অভিজ্ঞতায় তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ এফআইআর দায়ের করেছে বলে জানা গিয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, তরুণীর নাম স্বোপিকা। তাঁর দাবি, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টা নাগাদ বেঙ্গালুরুর হোয়াইটফিল্ড স্টেশন থেকে মেট্রোয় ওঠেন তিনি। কিছুক্ষণ পর তাঁর সন্দেহ হয়, এক পুরুষ সহযাত্রী নিজের মোবাইল ফোনে তাঁকে গোপনে রেকর্ড করছেন। বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি ওই যাত্রীকে সরাসরি প্রশ্ন করেন, কেন তাঁকে রেকর্ড করা হচ্ছে।
সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিয়োয় স্বোপিকাকে বলতে শোনা যায়, তিনি এখনও কাঁপছেন এবং মেট্রোর মধ্যে এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে ধরেছেন বলে তাঁর দাবি। ভিডিয়োয় তাঁকে অভিযুক্ত ব্যক্তির ফোন আনলক করে দেখানোর দাবিও জানাতে শোনা যায়।
https://www.instagram.com/reel/DfB3-R9Abip/?utm_source=ig_web_copy_link&rpxt=NTc4MTIwNjQ2YQ==
বিষয়টি বোঝার পর ওই ব্যক্তি ব্যাগ নিয়ে পালাতে থাকেন, অভিযোগ তরুণীর। তাঁকেও পিছনে দৌড়তে হয় বলে দাবি স্বোপিকার। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, পরে তিনি ওই ব্যক্তির ফোন নিরাপত্তারক্ষীদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। কিন্তু ওই ব্যক্তি আবার ফোনটি নিয়ে চলে যান বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। ঘটনার সম্পূর্ণ বিবরণ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় সম্পর্কে অবশ্য স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এমনকি ভিডিয়োয় নিজের পোশাক নিয়েও বলতে শোনা যায় তরুণীকে। তাঁর বক্তব্য, তিনি সম্পূর্ণ ঢাকা ফর্মাল পোশাক পরেছিলেন। তবে পোশাকের ধরন যা-ই হোক, কারও সম্মতি ছাড়া তাঁকে গোপনে রেকর্ড করার অভিযোগের তদন্ত হওয়া প্রয়োজন—এই বার্তাই তুলে ধরেছেন তিনি।
স্বোপিকা বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা তিনি পুলিশের কাছে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে খুঁজে বের করার আবেদন জানিয়েছেন। তাঁর আশঙ্কা, এমন ঘটনা অন্য যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে পারে।
ঘটনায় FIR দায়ের করা হয়েছে। যদিও তদন্তের অগ্রগতি, অভিযুক্তের পরিচয় এবং ভিডিয়োয় ওঠা অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও স্পষ্ট নয়। তাই অভিযোগগুলিকে তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা জরুরি। মেট্রোর মতো জনবহুল পরিবহণ ব্যবস্থায় যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা যে গুরুত্বপূর্ণ, ঘটনাটি সেই প্রশ্নই নতুন করে সামনে এনেছে।




