নিউজ ডেস্ক: মাঝআকাশে কিংবা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই একজন বৈমানিক ও বিমানকর্মীদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। আর চরম সংকটময় মুহূর্তে অসীম সাহসিকতা ও উপস্থিত বুদ্ধির পরিচয় দিয়ে বহু মানুষের জীবন বাঁচিয়ে বিরল সম্মাননায় ভূষিত হলেন ফ্লাইদুবাইয়ের ক্যাপ্টেন স্মিত মাছছার এবং তাঁর সহকর্মীরা। দায়িত্বের প্রতি এমন নিষ্ঠা ও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মর্যাদাপূর্ণ জাতীয় বেসামরিক সম্মাননা ‘ফার্স্ট ক্লাস অর্ডার অব জায়েদ ২’।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান ব্যক্তিগতভাবে এই সাহসী বৈমানিক ও ফ্লাইদুবাইয়ের ক্রু সদস্যদের সম্মানিত করেন। আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে ক্যাপ্টেন স্মিত মাছছার ও তাঁর দলের সদস্যদের হাতে এই সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
https://x.com/thetatvaindia/status/2115306327312576762?a=Ia0BBpvt3yRvwmVT89s&s=08
বিমান চালনার পেশায় প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়া অস্বাভাবিক নয়, তবে সেই মুহূর্তে স্নায়ুচাপ সামলে দ্রুত সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং শতাধিক যাত্রীকে সুরক্ষিত রাখাই একজন দক্ষ বৈমানিকের মূল পরীক্ষা। ফ্লাইদুবাইয়ের এই ক্রু দল চরম বিপদের মুখেও নিজেদের কর্তব্য থেকে বিচ্যুত হননি। তাঁদের পেশাদারিত্ব, অটল মানসিকতা এবং তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের ফলেই যাত্রীরা নিরাপদে রক্ষা পান। এই সাহসী প্রচেষ্টাকে কুর্নিশ জানিয়ে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতৃত্ব তাঁদের এই বিশেষ সম্মানে ভূষিত করলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত শীর্ষ কর্মকর্তারা বৈমানিক দলের এমন দায়িত্বশীলতার প্রশংসা করেন। সংকটের মুহূর্তে যেভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ক্রু সদস্যরা যাত্রীদের নিরাপত্তাকে প্রাধান্য দিয়েছেন, তা বিমান পরিবহন শিল্পের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এই সম্মাননা কেবল ক্যাপ্টেন স্মিত বা তাঁর ক্রু সদস্যদের ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং বিশ্বজুড়ে বিমান চালনা ও সেবা খাতে যুক্ত সকল পেশাজীবীর দায়িত্ববোধ ও ত্যাগের প্রতি এক অনন্য শ্রদ্ধাঞ্জলি। সামাজিক মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই ক্যাপ্টেন স্মিত মাছছার এবং পুরো ফ্লাইদুবাই ক্রুকে শুভকামনা ও অভিনন্দনে ভাসাচ্ছেন নেটিজেনরা।




